শিশুদের সুরক্ষায় অগ্রিম টিকাঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট – মেয়েদের মাসিক মিস হলেই মনে তাদের মাথায় একটা চিন্তা আসে যে মনে হয় আমি প্রেগনেন্ট হয়ে গেছি। এ অবস্থায় অনেক নতুন মা আছে যারা ডাক্তাারের কাছে যেতে লজ্জা পায়। সেসব মায়েদের জন্য বলছি যে আপনারা ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি আছে তার যার মাধ্যমে আপনারা প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে পারবেন।
বেশির ভাগ সময় বাড়িতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য প্রস্তুতি থাকে না বা আমরা ভয় পায় বাড়িতে হয়তো টেস্ট করলে ভুল দেখাবে। এমটা কখনো নয়। আপনাদের জন্য আমার এই পোস্টে প্রেগনেন্সি টেস্টের যে প্রক্রিয়া গুলো দেওয়া আছে তা আপনারা টেস্ট করে দেখতে পারেন। বন্ধুরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যে প্রক্রিয়া গুলো দেয়া আছে সেগুলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো। পড়তে থাকুন-
কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হয়
আপনার সঠিক সময়ের মধ্যে মাসিক শুরা না হলে আথবা সহবাসের সময় কনডম, বড়ি, বা পিল ব্যাবহার না করলে আপনার প্রেগনেন্সির লক্ষণ গুলো দেখা দিলে আপনি প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে পারেন। আপনার মাসিক মিস হওয়ার ৫-৭ দিন পর প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারেন। প্রেগনেন্সি টেস্টে সাধারণত গর্ভবতী নারীদের প্রসাবে একটি হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়।
গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে এই হরমোনের পরিমাণ শুরুর দিকে অল্প পরিমানে থাকে। তাই গর্ভধারণের একদম শুরুর দিকে অথবা সহবাসের পর এই টেস্ট করলে সাধারণত হরমোনের উপস্থিতি সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। এই জন্য আপনাকে মেলামেশার কমপক্ষে 20 থেকে 22 দিন পর মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
কিছু আধুনিক প্রেগনেন্সি টেস্টের মাধ্যমে পিরিয়ডের সম্ভাব্য তারিখ আসার আগেই আপনি গর্ভধারণ হয়েছেন কিনা সেটা নিশ্চিতভাবে জানা যায়।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট
প্রিয় বোনেরা, আপনি পেগনেন্সি কিনা বা মা হতে যাচ্ছেন কিনা তা জানার জন্য অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। অথবা কোন ঔষধের দোকান থেকে প্রেগনেন্সি টেস্টের কাঠি কিনে পরিক্ষা করে আপনি বুঝতে পারেন। প্রিয় বোনেরা আপনারা কি জানেন যে, আপনি ঘরেই আপনার প্রেগন্যান্সি টেস্ট সহজেই করাতে পারবেন। তো চলুন বন্ধুরা জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট।
- সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
- শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
- লবন দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট
- চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
- কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
সুস্থ প্রেগন্যান্সির লক্ষণ
প্রেগনেন্ট হওয়ার পর প্রত্যেকটি মায়ের কিছু কিছু লক্ষন দেখা দেয়। তার মধ্যে বিশেষ লক্ষন হলো প্রথমে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া। আরো অনেক লক্ষন আছে যেমন,
- বমি বমি ভাব বা দিনে দুই থেকে তিনবার বমি হওয়া।
- মাথা ঘোরা।
- প্রায় সব খাবারেই গন্ধ লাগবে।
- স্তনে চাপ দিলে ব্যথা লাগবে।
- শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে থাকবে।
- যোনিপথ দিয়ে হালকা হালকা রক্তপাত হবে।
- তলপেট হালকা ব্যথা করবে এবং পেট ফাঁপা হয়ে থাকবে।
- মাসিকের ব্যথার মতো তলপেট মোচর দিয়ে উঠবে।
- ঘনঘন প্রসাব হবে।
- মুখে কোন স্বাদ থাকবে না।
- রুচিকর খাবারও অরুচি লাগবে।
- সাদা স্রাবের পরিমান বেড়ে যাবে।
প্রিয় বোনেরা উপরের উল্লেখিতলক্ষন গুলো যে সুনিশ্চিত এটা বলা সম্ভব নয়। কেননা মাসিক ২-৩ মাস বন্ধ হয়ে থাকলেও এই ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। এইজন্য আপনাকে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে হবে। আপনি কিটের সাহায্যে খুব সহজে প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে পারবেন।
এই কিট গুলো আপনি ফার্মেসিতে সহজেই কিনতে পারবেন। তাছাড়া ও হাসপাতাল, ক্লিনিক, বা কোন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে গাইনি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার মাধ্যমে প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে পারেন।
লবন দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট
প্রিয় বন্ধুরা বা বোনেরা আপনারা যদি গর্ব অবস্থায় পরীক্ষা করার সহজ পদ্ধতি বা উপায় পেতে চান তাহলে আপনারা ঘরেই লবণ দিয়ে এই প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবেন লবণ দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার প্রক্রিয়াগুলো নিচে দেওয়া হলো। লবন দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট।
- প্রথমে একটা পরিষ্কার বাটি বা একটা কাচের গ্লাস নিতে হবে।
- এক থেকে দুই চামচ লবণ নিতে হবে।
- সকালে প্রথমে যে পেশাব করবেন সেই পেশাবের কয়েক ফোঁটা নিতে হবে।
- একটা পরিষ্কার ড্রপার নিতে হবে পরীক্ষা করার জন্য।
- আপনি সকালে যে পেশাবটি ধরে রাখলেন সেই পেশাবটি ড্রপারের সাহায্যে কয়েক ফোঁটা গ্লাসের মধ্যে বা বাটিতে ফেলুন। এরপর সেই পেশাবের উপর এক থেকে দুই চামচ লবণ দিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।
- যদি আপনি দেখতে পান এই দুই উপকরণের মিশ্রণের ফলে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া হচ্ছে বিশেষ করে বুদবুদ উঠছে তাহলে বুঝবেন যে আপনি মা হতে চলেছেন।
- এই পরিক্ষা করার পর যদি দেখেন লবনের মিশ্রনের কোন পরিবর্তন আসছে না তাহলে আপনি মনে করবেন আপনি প্রেগনেন্ট নয়।
চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
বন্ধুরা আপনারা কি জানেন আমাদের ঘরে থাকা চিনি এই সহজলভ্য জিনিসটা দিয়েই পরীক্ষা করা যায়। প্রেগনেন্সি অনেকদিন আগে বিশেষ করে বহু বছর আগে প্রেগনেন্সি পরিক্ষা সহজলভ্য ছিলো না। তখনকার মানুষ এইসব প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করে নিত। তাদের ডাক্তারের পরামর্শের কোন প্রয়োজন ছিল না। তো বন্ধুরা চলুন জানা যাক চিনি দিয়ে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করব। নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল
- প্রথমে একটি পরিষ্কার কাচের পাত্র নিতে হবে।
- পাত্রে এক থেকে দুই চামচ চিনি নিতে হবে।
- অবশ্যই সকালের প্রথম পেশাবের কয়েক ফোঁটা নিতে হবে।
- বাটিতে কয়েক ফোঁটা প্রসব দিন এবং প্রসবের উপর এক চা চামচ চিনি দিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন।
- যদি আপনি দেখেন যে, প্রসবের ভিতর চিনি দেয়ার পরেও চিনি গলছে না তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী। এই চিনি গলার না কারণ গর্ভবতী মহিলাদের শরীরের এইচ সি জি হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় এই হরমোন চিনিকে সহজে গলতে দেয় না।
- আর বন্ধুরা যদি দেখেন চিনি গলে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে আপনারা বুঝে নিবেন যে আপনি গর্ভবতী নয়।
সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
- সাবান টুকরো টুকরো করে কেটে গলিয়ে একটি বাটিতে নিন।
- গলানো সাবানের উপর কয়েক ফোটা সকালের প্রসাব দিন।
- সাবান এবং প্রসাব মেশানোর পরে যদি কোন বুদবুদ দেখা দেয় তাহলে বুঝবেন আপনি প্রেগনেন্ট।
- আর বুদবুদ দেখা না দিলে সে ক্ষেত্রে আপনি গর্ভবতী নয়।
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
- প্রিয় বোনেরা একটি পাত্রে সামান্য পরিমাণ সাদা রংয়ের টুথপেস্ট নিবেন।
- সেই টুথপেস্ট এর সাথে সকালের প্রস্রাব মেশাবেন।
- টুথপেস্ট এর রং যদি নীল কালার হয়ে যায় তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী।
- আর টুথপেস্ট এর রং যদি নীল না হয় তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী নয়।
শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
এই পদ্ধতির কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এটি প্রস্রাবের হরমোনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়, যা শ্যাম্পুর সাথে প্রতিক্রিয়া করে ফেনার পরিমাণ বাড়াতে পারে। যাইহোক, এই প্রতিক্রিয়া নির্ভরযোগ্য নয়, এবং এটি গর্ভাবস্থার একটি নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত নয়। তার পরে ও জেনে নেয়া যাক শাম্পু দিয়ে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে হয়।
- একটি কাঁচের মাটিতে এক চা চামচ শ্যাম্পু নিন।
- বাটিতে দেওয়া শ্যাম্পুর মধ্যে সকালের এসব ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি খুবই সাবধানে মেশাতে হবে।
- তারপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।শ্যাম্পু পরিমাণ যদি আস্তে আস্তে বেড়ে যায় তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী। আর যদি শ্যাম্পু পরিমাণ না বাড়ে তাহলে আপনি বুঝবেন গর্ভবতী নয়।
কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
প্রিয় বোনেরা আপনি প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যে কাঠিটি দোকান থেকে ক্রয় করে আনবেন সে কাঠির প্যাকেটের মধ্যে সম্পূর্ণ নির্দেশ বলি দেওয়া থাকে। তারপরেও আপনাকে সহজভাবে বুঝিয়ে দেই আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন বর্তমান সময়ে দুই ধরনের কাঠি রয়েছে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য।
১. ডিজিটাল স্ট্রিপ কাটি
২. নরমাল স্ট্রিপ কাটি
১. ডিজিটাল স্ট্রিপ কাটি
ডিজিটাল স্ট্রিপ কাটি মাসিকে নির্দিষ্ট সময় হতে মাসিক বন্ধের ১৫ থেকে ২০ দিন পর সকালে আপনি আপনার প্রসব একটি কোটাতে বা বাটিতে সংগ্রহ করুন। তারপর ডিজিটাল স্ট্রিপ কাঠিতে দেখবেন মাঝখানে একটু ফাঁকা জায়গা আছে সেই ফাকা জায়গাতে আপনি কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব দিবেন। তারপরে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করবেন।
তবে ১০ মিনিটের বেশি হলে গ্রহনযোগ্য হবে না। নিচে র C কন্ট্রলে দেখবেন লাল দাগ ।তাহলে আপনি গর্ভবতী নয়। আর C .T কন্ট্রেল দুই ফুটোতে লাল দাগ দেখা দিলে বুঝেবেন আপনি গর্ভবতী। আর যদি শুধু T কন্ট্রেলে লাল দাগ দেখা দেয় তাহলে বুঝবেন কাঠি টি ভালো নয়। অন্য কাঠি দিয়ে পরিক্ষা করতে হবে।
২. নরমাল স্ট্রিপ কাটি
মাসিকের সময় হতে মাসিক বন্ধের ১৫-২০ দিন পর আপনাকে সাধারন স্ট্রিপ কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে হবে। সকালের প্রসাব সংগ্রহ করবেন একটি পাত্রে। তার পর নরমাল স্ট্রিপ কাঠি টির সাদা অংশ থেকে মধ্যখান বরাবর সেই প্রসাবের মধ্য ডুবিয়ে রাখতে হবে ৭-১০ মিনিট। পেসাবে ডুবানো কাঠিতে যদি দুইটি লাল দাগ আসে তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী। আর লাল দাগ দেখা না দিলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী নয়।
প্রেগনেন্সির সঠিক ফলাফল পেতে, সকালের ইউরিনের নমুনা ব্যবহার করুন। শুরুর দিকে এই পরীক্ষাগুলো কাজ নাও করতে পারে শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে এইচসিজি তৈরি না হওয়ায়। তবে ঠিকভাবে করতে পারলে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রেগনেন্সি টেস্টের এই পরীক্ষাগুলো ৯৭ শতাংশ সঠিক হয়ে থাকে। যদি টেস্ট নেগেটিভ ফল জানায় এবং আপনার মধ্যে প্রেগনেন্সির সব লক্ষণ থাকে তাহলে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে আবারও ঘরোয়া টেস্ট করতে পারেন অথবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন।
প্রেগন্যান্ট হওয়ার কত দিন পর মাসিক বন্ধ হয়
মাসিক ভালো হওয়ার পরের ১০ দিনের মধ্য স্বামী স্ত্রী সহবাস করলে খুব সহজেই গর্ভবতী হয়ে যায়। বিশেষ করে যদি কোন ধরনের পরিবার পরিকল্পনা না করে সহবাস করে। যেমন, করডম, বড়ি, পিল বা কোন ইনজেকশান ব্যাবহার না করে সহবাস করলে পুরুষের বীর্য গুলো মেয়েদের জুনিপথে ফেললে অবশ্যেই গর্ভবতী হবে।
আরো পড়ুনঃ গ্যাস হলে কি শ্বাসকষ্ট হয় জেনে নিন
এই গর্ভ বতী হওয়ার মাস থেকে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। আবার কিছু কিছু মহিলাদের আবার প্রেগন্যান্ট হওয়ার পরেও হালকা হালকা মাসিক হয়। তবে এই সমস্যা সকলের হয় না। এই ধরনের সমস্যা হলে অবশ্যই আপনারা ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
মাসিক না হলে কি প্রেগন্যান্ট হয়
একটা মেয়ের মাসিক চক্র ২৪ থেকে ৩৮ দিনের মধ্যে হয়ে থাকে। আর এই সময়ের মধ্যে যদি কারো মাসিক অর্থাৎ ঋতুস্রাব না হয় তাহলে ধরে নেওয়া যায় যে সে গর্ভবতী হতে চলেছে। অতএব এই কথার উপর ভিত্তি করে বলা যায়– মাসিক না হলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তবে হ্যাঁ পিরিয়ড মিস হওয়ার আরও অন্যান্য কারণ থাকতে পারে। যে কারণগুলো কখনো কখনো জটিল রোগের উপসর্গ হিসেবে প্রকাশ পায়।
সহবাসের পর মাসিক না হলে করণীয়
স্বামী স্ত্রীর সহবাস করার পরে যদি আপনার নির্দিষ্ট তারিখে মাসিক না হয় তাহলে আপনি বুঝবেন আপনি প্রেগন্যান্ট আপনি প্রেগনেন্ট কিনা সেটা পরীক্ষা করতে হবে ঘরোয়া উপায়ে কিংবা কিট দিয়ে।
সহবাসের পর মাসিক না হলে সর্বপ্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটা হল প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে হবে।
মাসিক মিস হওয়ার পর প্রেগনেন্সি টেস্ট এর সঠিক রিপোর্ট পেতে হলে নির্ধারিত মাসিকের তারিখ থেকে অন্ততপক্ষে ১৫-২০ দিন পরে প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে হবে। সহবাসের পরে মাসিক না হলে প্রেগনেন্সি টেস্টে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ওষুধের ফার্মেসি থেকে প্রেগনেন্সি টেস্টর স্ট্রিপ নিতে হবে। সকালের পেসাব সংগ্রহ করে স্ট্রিপটি পেসাবেন মধ্য ডুবিয়ে রাখবেন।
স্ট্রেপে যদি লাল দুইটা দাগ দেখা দেয় তাহলে আপনি বুঝবেন আপনি গর্ভবতী হয়েছেন। আর স্ট্রিপের সাহায্যে পরিক্ষা না করলে আপনি উপরোক্ত ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্ট টেস্ট করতে পারেন।
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় বোনেরা আশা করছি এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা জেনে গেছেন ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায়। ঘরোয়া পদ্ধতিতে টেস্ট করতে যদি আপনার মতোবিরোধ থাকে তাহলে আপনারা অবশ্যই কোন স্ট্রিপ কাঠি দিয়ে টেস্ট করতে পারেন। আমার পোস্ট টি ভালো লাগলে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে অনেক বোনেরা প্রেগনেন্সি টেস্ট করা জানে না।
এই জন্য আপনি দয়া করে পরিচিত বোনদের মধ্যে পোষ্টটি সেয়ার করে দিবেন। সকলেই জেনে উপকৃত হবে। ইনশাল্লাহ। ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।
আর্টিকেল সম্পর্কিত কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর জেনে নিন
পিরিয়ড ছাড়া কি ডিম্বস্ফোটন হয়?
পিরিয়ড না হয়েও ডিম্বস্ফোটন হয়।
মাসিক বন্ধ হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্ট বোঝা যায়?
মাসিক বন্ধ হওয়ার প্রায় ১০ – ২০ দিন পর প্রেগনেন্ট বোঝা যায়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে প্রেগন্টে হলে সহজে বুঝতে পারে না।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট কখন করতে হবে?
প্রেগন্যান্সি টেস্ট সাধারনত সকাল বেলার পেসাব সংগ্রহ করে করতে হয়। তবে মেডিকেল বা ক্লিনিকে যে কোন সময় গেলে প্রেগনেন্সি টেস্ট করিয়ে দিবে।
গর্ভাবস্থায় অনিয়মিত মাসিকের লক্ষণ?
গর্ভবস্থায় যদি আপনার অনিয়মিত মাসিক হয় তাহলেই আপনি কিছু লক্ষন দেখে বুঝতে পারবেন যে আপনি গর্ভবতী কি না। মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, খাবারে গন্ধ লাগা, ঘন ঘন প্রসাব হওয়া, শরীর ক্লান্ত লাগা, ইত্যাদি লক্ষন গুলো দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন।