মেয়েদের তেঁতুল খেলে কি পিরিয়ড হয়অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হলে করণীয়, প্রিয় বোনেরা আপনাদের হয়তো অনেকেরই বিয়ে হয় নাই এরকম অনেক বোানদের মাসিক আস্কমিক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে হতাশা হওয়ার কোন কারন নেই। এরকম হতেই পারে। যেমন অসুখ তেমন অসুখের চিকিৎসার ব্যাবস্থা ও আছে। কিন্তু ভয়ে বা লজ্জায় ডাক্তারের কাছে প্রকাশ করে না। পড়তে থাকুন-
যে মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে থাকে তাদের জন্য আমি এই পোষ্টে স্টেপ বাই স্টেপ মাসিক বন্ধ হলে করনীয় বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করব। আপনারা এ বিষয়ে ভালো ভাবে জানতে চাইলে আমার এই আরর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।
একদিনে মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়
বন্ধুরা একদিনে মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আমার এই আর্টিকেলটি পুরাপুরি সম্পূর্ণরূপে পড়তে হবে। আপনাদের এই পোষ্টের মধ্যে আপনাকে জানানো হবে কিভাবে আপনি আপনার মাসিকে একদিনের মধ্যে হওয়াতে পারবেন। সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং ধারণা দেওয়া হল। পড়তে থাকুন-
যদিও এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে একদিনে মাসিক হওয়ার উপায় গ্যারান্টি যুক্ত নেই। এখানে কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি দেওয়া হয়েছে যা কিছু লোক বিশ্বাস করে যে মাসিক প্ররোচিত করতে বা আপনার অনিমিত মাসিক নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। যেমন একদিনের মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়।
ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেয়ে – একদিনে মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়
আমরা অনেকেই আছি যে মাসিক না হলে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ খেয়ে মাসিক হওয়ানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আপনি জানেন কি এই মাসিক হওয়ার ঔষধ আপনার শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর। তা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন সি জাতিয় খাবার খেয়ে মাসিক একদিনের মধ্যে হওয়াতে পারেন। ভিটামিন সি আমাদের শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভিটামিন সি স্নায়ুতে বিভিন্ন বার্তা প্রেরণ করে এবং এর সাথে একটি শক্তি প্রবাহী ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয় এটি মাসিক হওয়ার শীঘ্র তাকে সুনিশ্চিত করে টমেটো, কমলা লেবু, ব্রকলি, টিভি ফল, এবং পার্সলে,গাজর, গুড়, হলুদ, খেজুর, কুমড়া, ছোট মাছ, কাজুবাদাম, আনারস, আঙ্গুর, দই এইগুলো খেতে পারেন দ্রুত মাসিক হওয়ার জন্য।, ইত্যাদিতে খুব সহজে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
গরম পানি দিয়ে তলপেটে সেক দিলে
গরম পানি দিয়ে তলপেটে সেক দিয়ে একটি সহজ এবং সাধারণ উপায়। এটি সাধারণত সকলের ঘরে সহজেই পাওয়া যায়। এই উপায়টি ব্যবহার করে আপনি দেখতে পারেন। আপনি মাসিক হওয়ার সময় হয়ে গেলে আপনি বোতলে গরম পানি নিয়ে প্রত্যেকদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখুন আপনি সমাধান পাবেন।
যৌন মিলনে ঋতুস্রাবে শীঘ্রতা আনতে পারে
এটি পড়ে আপনি আশ্চর্য হতে পারেন কিন্তু এটি সত্যি। আসলে যখনই আপনি সহবাস করেন তখন আপনার শরীরে নানান ধরনের হরমোনের উৎপত্তি হয়। এই হরমোন গুলোর মধ্যে কিছু হরমোন ঋতুস্রাবকে দ্রুত হতে সাহায্য করে। শুধু মাত্র বিবাহিত মহিলারা এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।
আদা দিয়ে চা খেলে
আপনার যদি ঋতুস্রাবের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনি নিয়মিত আদা দিয়ে দুই কাপ চা খেতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে এটা খুব সহজে এবংসুলভ উপায়ে দ্রুত মাসিক হওয়ার কাজ করে থাকে। কিন্তু অনেকেরই খেতে ভালো লাগে না। কিন্তু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে আপনার এই সমস্যা থাকলে।
কাঁচা ও পাকা পেঁপে খেয়ে
পেঁপে এমন একটি ফল যার মধ্যে স্বাদের কোন তুলনা নেই ।পেপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন আছে। অন্যান্য পুষ্টির সাথে এর মধ্যে ক্যারোটিন পাওয়া যায় যা মহিলাদের ঋতুস্রাবের শীঘ্র তা আনতে সাহায্য করে। আপনার এই সমস্যা হলে পেঁপে খান তাহলে সমাধান পাবেন।
টেনশন মুক্ত থাকবেন
আপনের টেনশন কম থাকলে আপনার রোগও কম হবে। চিন্তা থেকে দূরে থাকলে আমরা অনেক সমস্যা থেকে সমাধান খুঁজে পাই ।আপনি এটা শুনে আশ্চর্য হবেন যে, টেনশান নিয়ে থাকলে হরমোনের উৎপত্তি হয় না। আপনি যদি চিন্তা মুক্ত থাকেন তাহলে সহজে হরমোন প্রসারিত হবে যার ফলে সঠিক নিয়মেই প্রতি মাসে মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
টক জাতীয় ফল খেয়ে
আপনি যে কোন ধরনের টক জাতীয় ফল খেতে পারেন। টক জাতীয় ফলের সাথে আপনি একটু কাচা লবণ মিশিয়ে খাবেন তাহলে তাড়াতাড়ি মাসিক হতে বাধ্য। কিন্তু মাসিক হওয়ার পর আপনি টক জাতীয় ফল খাবেন না এতে অতিরোক্ত ব্লাডিং হতে পারে। টক জাতীয় ফল গুলো হলো , তেতুল, লেবু, মাল্টা,জলপাই ইত্যাদি।
দারুচিনি খেয়ে মাসিক দ্রুত হয়
মাসিক দ্রুত হওয়ার জন্য আপনারা দারুচিনি খেতে পারেন। দারুচিনি খেলে মাসিক দ্রুত হয়।
রেগুলার ব্যায়াম
করাদ্রুত মাসিক হওয়ার জন্য আপনি রেগুলার ব্যায়াম করতে পারেন অথবা মেডিটেশন করতে পারেন এইটার মাধ্যমে আপনার মাসিক দ্রুত হয়ে যাবে।
মাসিক হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম
মেয়েদের মাসিক সাধারণত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াতেই হয়ে থাকে এটার পিছনে কারো কোন হাত নেই। নিয়মিত মাসিক না হলে আপনি অবশ্যই উপরের নিয়ম গুলো মেনে দেখবেন। অবশ্যই এতে আপনার কাজ হবে। আর তারপরেও যদি না হয় তাহলে আপনি ট্যাবলেট খেতে পারবেন। যে ট্যাবলেট গুলো খেতে পারবেন সেই ট্যাবলেট গুলোর নাম দেওয়া হল-
- Normans
- Ethinor
- Feminor
- Remens
- Noteron
- Menogia
- Norcolut
- Remens
- Norestin
ট্যাবলেট এর ব্যবহারবিধি
মাসিক দেরিতে হলে বা মাসিক বন্ধ হয়ে থাকলে আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে চেষ্টা করার পরেও যদি মাসিক না হয় তাহলে আপনি উপরের ট্যাবলেট গুলোর মধ্যে যে কোন একটা ট্যাবলেট খেতে পারেন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। তবে আমার জানা মতে Normans ট্যাবলেটটি খুবই ভালো। মাসিক হওয়ার জন্য আপনি খেয়ে দেখতে পারেন। দিনে একটি করে খেতে হবে ভরা পেটে।
অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হলে করণীয়
সাধারণত অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক নিয়মিত হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু শরীরের তারতম্যের কম বেশি কারণে অনেক সময় মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আপনারা কি করতে পারেন কি করলে আবার নিয়মিত মাসিক হওয়ানো যায় এ বিষয়ে যদি আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন তাহলে ভালো।
আর যদি না নেন তাহলে আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাসিক হওয়াতে পারবেন। বন্ধুরা তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হলে করণীয় কাজগুলো কি কি?
হরমোন জনিত সমস্যা
অবিবাহিত মেয়েদের শরীরে যদি হরমোন জনিত সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে তাদের মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। তাই অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার আরেকটি লক্ষ্যনীয় কারণ হলো হরমেন জনিত সমস্যা। নিশ্চয়ই আপনার শরীরের হরমোন ঠিক রাখতে হবে।
ওজন কমানো
আপনার শরীরের ওজন যদি বেড়ে যায় বা অতিরিক্ত চর্বি জমে যায় তাহলে আপনি এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। এজন্য আপনাকে দ্রুত আপনার শরীরের ওজন কমাতে হবে তাহলে নিয়মিত মাসিক হবে।
বেশি বেশি পানি পান করা
মাসিক হওয়ার টাইম হয়ে আসলে অবশ্যই আপনাকে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে ।পানি শরীরে কম হয়ে যার কারণেও আপনার এই ধরনের সমস্যা হতে পারে আপনি বেশি করে পানি পান করুন তাহলে ইনশাল্লাহ নিয়মিত মাসিক হবে।
আদার রস খাওয়া
নিয়মিত মাসিক হওয়ার জন্য কাঁচা আদার রস আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকার করে। আদা কেটে নিয়ে আপনি চায়ের সাথে দিয়ে খেতে পারবেন। অথবা প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম পানির সাথে আদা কুচি খেয়ে নিতে পারেন। অথবা হালকা মধু দিয়ে এক গ্লাস দুধের সাথে আপনি খেতে পারেন তাহলে নিয়মিত মাসিক হবে।
খাঁচা ও পাকা পেঁপে
নিয়মিত মাসিক হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কাঁচা ও পাকা পেঁপে খেতে হবে। কাচা ও পাকা পেঁপে খেলে অবশ্যই মাসিক হওয়াতে পারবেন।
আয়রন বৃদ্ধি
আপনার শরীরের যদি আয়রন কমে যায় তাহলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই শরীরের আয়রন বৃদ্ধি করার জন্য আপনাকে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। যেমন, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ডিম, চিংড়ি মাছ, লাল শাক, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ফুলকপি, খেজুর, টমেটো, ইত্যাদি আপনাকে খেতে হবে তাহলে এই সমস্যার সমাধান হবে।
কাঁচা হলুদ
কাঁচা হলুদ শরীরের হরমোন ব্যালেন্স ঠিক রাখে। আপনার যদি মাসিক না হয় তাহলে এক কাপ দুধের সাথে একচা চামুচ পরিমান কাচা হলুদ বাটা মিশিয়ে তাতে চিনি অথবা মধু মিশিয়ে নিয়মিত খেলে এই সমস্যার সমাধান দ্রুত পাবেন।
টক জাতীয় ফল খাবেন
মাসিক বন্ধ হয়ে থাকলে অবশ্যই আপনি টকজাতিয় ফল খাবেন লবণ দিয়ে। এতে তাড়াতাড়ি মাসিক হয়।
জিরা
আপনার মাসিক এর সমস্যা হলে আপনি প্রত্যেক রাতে একগ্লাস পানির সাথে পরিমান মতো জিরা ভিজিয়ে রাখুন সকালে খালি পেটে ঐ পানি জিরা সহকারে খেয়ে ফেলুন দেখুন মাসিকের সকল সমস্যা দুর হবে এবং নিয়মিত মাসিক হওয়া শুরু করবে।
মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ
মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ এ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চায়। অবশ্যই এই পোস্টটি আপনারা পড়তে থাকুন তাহলে নিশ্চয় জানতে পারবেন মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ কি। সাধারণত ২৫ থেকে ২৮ দিনের ব্যবধানে মাসিক হয়ে থাকে। যদিও ৩৫ দিনের কম সময়কালেও স্বাভাবিক হিসেবে মাসিক হতে পারে।
এর সম্পূর্ণ বিষয়টি নির্ভর করে মহিলাদের হরমোন ও শারীরিক অবস্থার উপর। অনেকেরই এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ আবার কারো কারা তিনবার হয়ে থাকে। এ সম্পর্কে আমরা এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব। মেয়েদের মাসে দুই বার মাসিক হওয়ার অনেকগুলি কারন আছে যা নিচে দেওয়া হলো-
- ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে গেলে
- অতিরোক্ত ব্যায়াম করলে
- অতিরোক্ত টক জাতীয় ফল খেলে
- হরমোনের কোন সমস্যা শরীরে থাকলে
- অতিরোক্ত ভারি জাতীয় কাজ করলে
- অতিরোক্ত হাটাহাটি করলে
- অতিরোক্ত মানসিক চাপে থাকলে
যদি উপরের সমস্যা গুলোর কারনে আপনার মাসে দুইবার মাসিক হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই সমস্যা গুলো থেকে এরিয়ে চলতে হবে। না হলে ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে হবে।
৬ টি কারণে মাসিক দেরিতে হয়
সাধারণত মেয়েদের ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে মাসিক হয়ে থাকে। তবে ১৩ বছর থেকে ৫৫ বছর বয়সে নারীদের ক্ষেত্রে এমনটি হয়ে থাকে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যদি প্রতিমাসে নির্মিত মাসিক হয় তাহলে বুঝা যাবে তার শরীর স্বাস্থ্য ভালো আছে। তার শরীরে মাসিকের কোন ধরনের সমস্যা নেই।
মাসিক দেরি হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকে। চলুন বন্ধুরা কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক। মাসিক কতটা দেরি হলে লেট বলে ধরা যায় ।বিশেষ করে মাসিক১ থেকে ২ সপ্তাহ দেরি হলে লেট বলে ধরা যায়। এই দেরি কিসের জন্য হয় তা নিচে আলোচনা করা হলো-
বয়স
বিশেষ করে বিবাহিত নারী এবং মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে পিরিয়ডের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এর পিছনে কারণ হলো তাদের হরমোনের সমস্যা।
গর্ভাবস্থায়
যদি আপনার মাসিক দেরিতে হয় তাহলে আপনি বুঝবেন আপনি প্রেগন্যান্ট। অবশ্যই আপনাকে প্রেগনেন্সির পরীক্ষা করে নিতে হবে।
ওজন বেশি বা কম হওয়া
ওজনের অতিরিক্ত ওজন হলে বা চর্বি হলেও মাসিকের সমস্যা হয় এবং অতিরিক্ত ওজন কমে গেলেও মাসিকের সমস্যা হয়। এমনকি মাসিক বন্ধ হয়ে ও যেতে পারে।
স্বাস্থ্য সমস্যা
মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার infection এ ধরনের সমস্যায় মাসিকের লেট হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন, থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও মাসিক দেরিতে হয়।
হরমোনের সমস্যা
যদি আপনার শরীরে হরমোনের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে পিরিয়ডের বিপুল সমস্যা দেখা দেয়। হরমোনের সমস্যা হলে নিয়মিত মাসিক হয় আবার অনিমিত মাসিক হওয়াটা স্বাভাবিক।
ফাইব্রয়েডস
এটা হল জরায়ুতে টিউমারের একটি নাম। যদি আপনার জড়াইতে টিউমার হয়ে থাকে বা সংক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে এই ধরনের সমস্যা আপনার হতেই পারে। তার জন্য চিকিৎসা নিতে হবে।
তবে এই সমস্যাগুলো হলে আপনার হতাশা হওয়ার কারণ নেই। সমস্যা যদি থাকে তাহলে তার সমাধানও আছে। নিশ্চয়ই আপনি ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন চিকিৎসার মাধ্যমে।
অনিয়মিত মাসিক হয় যে সব কারণে
অনিয়মিত মাসিক হওয়া যে কোন বয়সের মেয়েদের জন্য হতে পারে। মাসিক সাধারনত ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হয়। কিন্তু ১ মাসে যদি আপনার দুই, তিন, বা চার বার মাসিক হয় তাহলে তো সেটা আপনার জন্য অনিয়মিত। এভাবে মাসিক হলে আপনার শরীরের রক্ত শুন্যতা তা হবেই তার সাথে বিভিন্ন ধরনের অসুখ দেখা দিবে।
যে সব মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক হয় তাদের কে বলছি আপুরা নিশ্চয় আপনারা ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করুন। কারন অনিয়মিত মাসিক হওয়াটা ভালো ব্যাপার না। এতে আপনার জীবনের আশঙ্কা থাকতে পারে। তো বন্ধুরা জেনে নেওয়া যাক অনিয়মিত মাসিক হওয়ার কারন গুলো-
- অতিরিক্ত শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া।
- হঠাৎ করে শরীরের ওজন কমে যাওয়া বা কমিয়ে ফেলা।
- অতিরিক্ত মানসিক টেনশন করা।
- থাইরয়েডের সমস্যা থাকা।
- জরায়ুতে টিউমার হলে।
- জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য পিল খাওয়া বা কপার টি ব্যবহার করা।
- পলিসিইস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।
- অতিরিক্ত শরীর চর্চা করা।
- যেসব মা সন্তানকে বুকের দুধ দেন।
- কিশোর বয়সে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে।
- অতিরিক্ত টক ফল খাওয়ার কারণে।
- বাচ্চা হওয়ার প্রথমদিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ভারি জাতীয় কাজ করলে।
উপরোক্ত কারন গুলো জন্য মেয়েদের অনিয়িমিত মাসিক হয়। উপরের সমস্যা গুলো থাকলে অবশ্যই আপনারা সমস্যাগুলো দুর করার চেষ্টা করবেন। কারন ছোট অসুখ থেকে মানুষের বড় অসুখ হতে পারে। শরীর সুস্থ্য তো আপনার জীবন সুন্দর। পরিবার সুখি।
নিয়মিত মাসিক না হলে কি কি সমস্যা হয়
সময়মতো মাসিক না হলে শরীরের কি সমস্যা দেখা দেয়
মাসিক নিয়মিত হওয়াটা মেয়েদের শরীরের জন্য খুবেই উপকারি। যাদের মাসিক নিয়মিত হয়না তাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সঠিক সময়ে মাসিক না হলে আপনার শরীরে কিছু কিছু পরিবর্তন দেখা দিবে। সময় মতো মাসিক না হলে শরীরের কি সমস্যা দেখা দেয় তা নিচে দেওয়া হলো।
- বমি বমি ভাব হয় বা বমি হয়ে যায়।
- মাথা প্রচন্ড ব্যাথা করে বা ঝিম ঝিম করতে থাকে।
- তল পেট ভারি ভারি লাগে।
- অতিরোক্ত মাথার চুল পড়তে লাগে।
- শরীর গরম হয়ে থাকে।
- স্তনের আকার পরিবর্তন হয় অথবা স্তন ব্যাথা হয়।
- চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যায়।
- অবসর টািইমে হাত – পা ফুলে যায়।
- শরীরে জ্বর জ্বর ভাব হবে।
প্রিয় বোনেরা উপরোক্ত সমস্যা গুলো হলো সময়মতো মাসিক না হওয়ার সমস্যা। এই সমস্যা গুলো আপনাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এইজন্য আপনারা অসুস্থ্য জীবন নিয়ে থাকবেন না। দ্রুত চিকিৎসার ব্যাবস্থা করবেন। তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
শেষ কথা
প্রিয় বোনেরা আমার এই পোষ্ট টি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হন তাহলে নিশ্চয় পরিচিতদের মধ্যে সেয়ার করে দিবেন। কারন তারাও পড়ে উপকৃত হবে। আর নিশ্চয় আপনারা সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করবেন। আর আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
অরর্টিকেল সম্পর্কিত কিছু ছোট প্রশ্ন ও উত্তর
৯ বছর বয়সে কি মাসিক হওয়া স্বাভিক?
আপনি আপনার মাসিক ৯ বছর এর পরে এবং ১৪ বছর এর আগে হতে হবে। তাহলে সুস্থ্য এবং ঠিক।
মাসিক হওয়ার আগে কি কি লক্ষণ দেখা যায়?
বিভিন্ন হরমোনের এই তারতম্য প্রাক-ঋতুকালীন উপসর্গের অন্যতম কারণ। তলপেট, পিঠ, কোমর, উরু ও জয়েন্টে ব্যথা। মানসিক অবসাদ, মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া ইত্যাদি। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে, বিশোর্ধ্ব নারী ও মেনোপজের আগে পিএমএসের লক্ষণ দেখা দেয়।
মেয়েদের পিরিয়ড কি?
পিরিয়ড হল মাসিক চক্রের একটি অংশ যখন একজন মহিলার কয়েক দিনের জন্য তার যোনি থেকে রক্তপাত হয় ।
মহিলাদের মাসিক কত দিন থাকে?
সাধারণত ৩-৭ দিন মহিলাদের মাসিক থাকে।
মাসিকের এক সপ্তাহ আগে কি গর্ভবতী হওয়া যায়?
হ্যা অবশ্যই মাসিকের এক সপ্তাহ আগে আপনি গর্ভবতী হতে পারবেন।
পিরিয়ড কতদিন দেরি হওয়া স্বাভাবিক?
আপনার শেষ মাসিকের 24 থেকে 38 দিনের মধ্যে আপনার পিরিয়ড শুরু হওয়া উচিত ।
১২ ঘন্টা পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর আবার শুরু হয় কেন?
মাসিকের টিস্যু জরায়ুমুখে বাধা দিলে, রক্তকে শরীর থেকে বের হতে সাময়িকভাবে বাধা বা সীমিত করলে একজন ব্যক্তির পিরিয়ড সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।