লজ্জাবতী গাছের টোটকা ও উপকারিতা জেনে নিন

লজ্জাবতী গাছের টোটকা ও উপকারিতা জেনে নিন। লজ্জাবতী পাতা অতি স্পর্শকাতর। একটু হাত লগলে বা…

মেয়েদের তেঁতুল খেলে কি পিরিয়ড হয় বিস্তারিত জানুন

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধবাংলাদেশের নারীদের কাছে পিরিয়ডের সময় একটা ধারনা হলো যে, পিরিয়ডের…

শুকনো ডুমুর খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন

পাকা টমেটো মুখে মাখার উপকারিতাশুকনো ডুমুর খাওয়ার নিয়ম হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা, ত বন্ধুরা আমরা…

কাঁচা ডুমুরের উপকারিতা কি বিস্তারিত জেনে নিন

কাঁচা পেঁপের গুনাগুন জেনে নিনআসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা,আপনেরা ভালো আছেন। আপনাদের জন্য আজ আমি কাঁচা ডুমুরের…

শিশুদের সুরক্ষায় কি কি রোগে অগ্রিম টিকা দেওয়া হয় বিস্তারিত জানুন

গর্ভবস্থায় কি খাবার খেলে বাচ্চার ওজন বাড়ে জেনে নিনশিশুদের সুরক্ষায় কি কি রোগে অগ্রিম টিকা…

এইডস রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

এইচআইভি হলো, একোয়াট ইমিউনো ডেফিসিয়েন্স। যাকে আমরা সংক্ষেপে এইডস বলে থাকি। এ রোগ যৌন রোগের…

পুরুষ ও নারী বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয় – বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা জেনে নিন

কোন গর্ভনিরোধক পদার্থ বা পদ্ধতি ব্যবহার না করে এক বছর নিয়মিত দাম্পত্য জীবন কাটানোর পরও যদি কোন দম্পতি গর্ভধারণের ব্যর্থ হয় তখন তা প্রজনন অক্ষমতা বলে বিবেচিত হবে। দম্পতির পুরুষ সঙ্গী নারীর সঙ্গে কিংবা উভয়েই প্রজজনিক সমস্যায় ভুগতে পারে।পুরুষ ও নারী বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয় তা আমরা এই পোষ্টে জানব।
পুরুষ ও নারী কিভাবে বন্ধ্যাত্ব হয় জেনে নিন
অর্থাৎ তারা অনুর্বর, অনুর্বর বলতে বোঝায় নির্দিষ্ট নারী – পুরুষ দম্পতির সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কম। তার মানে এই নয় যে তারা সন্তান উৎপাদনে অক্ষম।

ভৃমিকা

বন্ধ্য বা বন্ধ্যা যাই বলি না কেন তারা কোন দিনই সন্তান উৎপাদনে সক্ষম হবে না। কিন্তু অনুর্বর ব্যক্তি – দম্পতি চিকিৎসার কল্যানে গর্ভধারন ও সন্তান জন্মদানে সক্ষম। পৃথিবীর ১৫% দম্পতি অনুর্বর কিন্তু ১-২% দম্পতি বন্ধ্য বন্ধ্যা। নিচে পুরুষ ও নারীর বন্ধ্যাত্বের বা প্রজননিক সমস্যার কারন গুলো উল্লেখ্য করা হলো-

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয়

দম্পতির পুরুষ সদস্যের প্রজননিক সমস্যার মূলে রয়েছে নিচে বর্ণিত শুক্রাণুগত বিশৃঙ্খলা।
বীর্যে শুক্রাণুর অনুপস্থিতিঃ বীর্যে শুক্রাণুর অনুপস্থিতিকে অ্যাজুস্পার্মিয়া বলে। শুক্রাণু উৎপাদন না হওয়া বা কোন প্রতিবন্ধকতার কারণে বীর্যে শুক্রাণু অনুপস্থিত থাকতে পারে।
বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যার স্বল্পতাঃ বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যার স্বল্পতাকে অলিগোস্পার্মিয়া বলে। এক্ষেত্রে প্রতি কিউবিক সেন্টিমিটার বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা ২০ মিলিয়নের কম থাকে। অলিগোস্পার্মিয়ার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা নেই।
শুক্রানুর অস্বাভাবিকতাঃ অনেক শুক্রাণু ডিম্বানোর কাছে পৌঁছাতে বা নিষেক ঘটাতে অক্ষম ।দুটি লেজ থাকা, বা লেজবীহিন, মস্তকবীহিন অস্বাভাবিক আকৃতি ইত্যাদি হলে শুক্রাণুর অস্বাভাবিকতা।
অটোইম্যুনিটিঃ নিজের শুক্রাণুর প্রতি বিশেষ ইমন প্রতিক্রিয়া ৫থেকে ১০% পুরুষ বন্ধত্বের কারণ। রক্তের শুক্রাণু প্রতিরোধী আয়ন থাকা এক ধরনের ইমুন প্রতিক্রিয়া।
বীর্যপাতে অক্ষমতাঃ ডায়াবেটিস, স্পাইনাল, ইনজুরি ,প্রোস্টেট, সার্জারি, সেমিনাল ভেসিকলের ক্ষত বা মুখ বন্ধ থাকা ইত্যাদি কারণে শুক্রাণু উৎপাদনে সক্ষম পুরুষ অনেক সময় বীর্যপাত করতে পারে না বা কম বীর্যপাত হয়।কোন কোন ক্ষেত্রে আবার অস্বাভাবিক বীর্যপাত যেমন পশ্চাত মুখী হয়ে মূত্রথলিতে পতিত হয়। অর্থাৎ দেহের বাইরে বীর্যরস নির্গত হয় না। এসব ক্ষেত্রে পুরুষের প্রজনন অক্ষমতা প্রকাশ পায়।
পুরুষত্বহীনতাঃ কোন কোন ক্ষেত্রে শারীরিক বা মানসিক কারণে অকাল বীর্যপাতন কিংবা লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যার কারণে পুরুষত্বহীনতা দেখাতেই যা প্রজনন অক্ষম তারই নামান্তর।
ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ চর্মরোগ, ক্যান্সার, পেটের আলসার, যক্ষা, ডিসলিপিডেমিয়া, নিদ্রাহীনতা, প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ – গর্ভবতী মায়ের খাবার

গর্ভাবস্থায় শারিরিক কোন সমস্যা না থাকলে কাজ করতে পারবে গর্ভবতী মেয়েরা। শরীর নিয়ে নরাচরা বা কাজকর্ম করলে বাচ্চা প্রসব করতে কোন সমস্যা হয় না।গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ তা আমরা এই পোষ্টে জানব। এসময় মেয়েদের শরীর এমনিতেই ভারী হয়ে যায়। তেমন কোন ভারী কাজ করতে ইচ্ছে করে না।
গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ জেনে নিন
ভারী কাজ করলে তো এমনিতেই সমস্যা হয়ে যাবে। এই জন্য এমন কিছু কিছু কাজ আছে যা গর্ভাবস্থায় মেয়েদের করা উচিত না। সাবধানে এবং সর্তক থাকাটাই ভালো হবে।

ভৃমিকা

গর্ভাস্থায় মেয়েদের জীবনের একটি বিশেষ সময়। এই সময় শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন ঘটে তাদের জীবনে। গর্ভাবস্থায় শরীরের অনেক ওজন বেড়ে যায় এবং মেজাজ খিটখিটে থাকে। তাছারাও শরীরে বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। বড় কোন সমস্যা না হওয়ার জন্য কোন ভারী কাজ তো করাই যাবে না। তবে ডাক্তারেরা বলে, হালকা পাতলা কাজ করতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের খাবার

গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির উপরে নির্ভর করে গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি বিকাশ ও ভবিষ্যৎ জীবনে ভালো থাকা। তাই সুষম সহজপাচ্য ও সঠিক পরিমাণ আহার প্রয়োজন। গর্ভ অবস্থায় সুষম আহার বলতে বুঝায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশি পরিমাণ শর্করা ও কম পরিমাণ চর্বি জাতীয় খাদ্যের সঙ্গে উপযুক্ত পরিমান লৌহ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, ও অন্যান্য পদার্থ যথা ,জিংক, ফলিক, এসিড, পটসিয়াম, সেলিনিয়াম, প্রভীতি।
সম্ভব হলে দিনে এক লিটার দুধ একবার, দুই টুকরা মাছ বা মাংস একটি ডিম একটি বা দুইটি ঋতুক্যালিম ফল, টাটকা শাক-সবজি এবং ভাত ও ডাল পেট ভরে খাওয়া উচিত। নিরামিষ ভোজীদের দুধের পরিমাণ বাড়াতে হবে। তা ছাড়াও অঙ্কিত ছোলা ও খাদ্য তালিকায় যোগ করা উচিত। প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ গ্লাস ফুটানো পানি ঠান্ডা করে খাওয়া প্রয়োজন।

মায়ের গর্ভে বাচ্চা কিভাবে তৈরি হয়- ভ্রুন ও ফিটাসের বিকাশ

প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের বীর্য যা সন্তান জন্ম দিতে অংশগ্রহন করে। এবং প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর জনন…