মিলনের কতদিন পর প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে হয় বিস্তারিত জানুন

পুরুষ ও নারী বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয় জানুনমিলনের কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হয় এটা হয়তো অনেক মায়েরা জানেন না। কিন্তু প্রত্যেক মাকে জানা অবশ্যক। গর্ভধারন নিয়ে অনেক মায়ের অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে যারা নতুন মা হতে যাচ্ছে তাদের প্রশ্নের এবং অপেক্ষার শেষ নেই। মিলনের ঠিক কতদিন পরে একজন নারী প্রেগনেন্ট হতে পারে বা কতদিন পরে টেস্ট করতে হয়।
মিলনের কতদিন পর প্রেগনান্সি টেস্ট করতে হয়
এই বিষয় নিয়ে অনেকের চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু গর্ভাবস্থা নিয়ে সঠিক তথ্য জেনে সেই মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক মহিলাই বুঝে উঠতে পারেন না যে মিলনের কতদিন পর টেস্টে করালে সঠিক ফল মিলবে। বন্ধুরা আজ সে বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এইজন্য আরর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো। পড়তে থাকুন-

বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাসের উপযুক্ত সময়

অনেক ভাই এবং বোনেরা মনে করেন বাচ্চা নেওয়ার জন্য প্রত্যেকদিন সহবাস করতে হয়। না হলে বাচ্চা হবে না। এই ধারনা টি সম্পর্ন ভুল। আসলে বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাসের একটি উপযুক্ত সময় আছে। সে সময় অনুযায়ী যদি আপনি সহবাস করতে পারেন তাহলে সঠিক ফলাফল আসতে বাধ্য। তো বন্ধুরা জেনে নেওয়া যাক বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাসের উপযুক্ত সময়।
যদি একজন মহিলা গর্ভবতী হওয়ার কথা ভাবেন, তবে তাকে প্রথমে নিজের মাসিক চক্রের দিকে নজর দিতে হবে। কারণ ওভুলেশন হল গর্ভধারণ সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার উত্তর। একজন মহিলার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণকে ওভুলেশন বলে। ওভুলেশনের প্রক্রিয়া প্রতি মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ে হয়ে থাকে। 
ডাক্তার বিশাল মাকওয়ানা জানিয়েছেন যে, এই সময়ের মধ্যে মহিলার শরীর থেকে নির্গত ডিমগুলি পুরুষের বীর্যের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। আর তাই এই সময়ে সহবাস করলে সহজেই গর্ভধারণ করা সম্ভব। নারী যদি মা হতে না চান, তাহলে এই সময়ে সহবাস না করে গর্ভধারণ এড়িয়ে যাওয়া যায়।গর্ভবতী হওয়ার জন্য, আপনার মাসের কোন সময় ওভুলেশন হচ্ছে তা জানতে হবে। 
কারণ এই সময়টি বিভিন্ন মহিলাদের জন্য আলাদা। সাধারণত ২৮ দিনের মাসিক চক্রে ১৪-১৬ দিনের কাছাকাছি ঘটে এটি। কিন্তু সব নারীর মাসিক চক্র ২৮ দিনের হয় না। সাধারণত এই মাসিক চক্র ২৬-৩২ দিনের হয়ে থাকে। আর ওভুলেশন হয় একজন নারীর পিরিয়ডস শেষ হওয়ার ১০ থেকে ১৯ তম দিনে। পরবর্তী মাসিকের প্রায় ১২ থেকে ১৬ দিন আগে। 
মহিলারা নিজেদের ওভুলেশনের লক্ষণগুলি বুঝতে পারবেন নানা লক্ষণ থেকে। এই সময়ে হওয়া হোয়াইট ডিসচার্জ বরাবরের থেকে আলাদা হয়।যোনি থেকে যে তরল নিষ্কৃত হয় তা ঘন হয়ে যায়। এই সময়ে, মহিলাদের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিছু মহিলার ওভুলেশনের সময় তলপেটে হালকা ব্যথা হয় যা কয়েক মিনিট বা এমনকী কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

মিলনের কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হয়

বিশেষজ্ঞরা বলেন, মিলনের সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু গর্ভধারণ হয়ে যায় না। বরং পুরো প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় লাগে। সাধারণত, একটি শুক্রাণুর জরায়ুতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় দুই থেকে তিন দিন। এরপর সেই শুক্রাণু যদি ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়, তবেই তৈরি হয় ভ্রুণ। চিকিৎসকরা বলেন, গর্ভধারণের জন্য সময় লাগে তিন থেকে চারদিনের মতো।

একটি শুক্রাণু গর্ভে বেঁচে থাকতে পারে পাঁচদিন পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে শুক্রাণু যদি ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে তবেই একজন নারী গর্ভবতী হন। অপরদিকে সময় পেরিয়ে গেলে আর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন নারী যখন গর্ভবতী হন, তার কিছুদিনের মধ্যেই সেই নারীর শরীরে নানা লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। 
তবে গর্ভবতী কি না সেই পরীক্ষার করানোর আগে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত। পিরিয়ডের প্রথম তারিখ পার হয়ে গেলে তবেই পরীক্ষা করান।সবচেয়ে ভালো হয় পিরিয়ডের তারিখ পার হয়ে যাওয়ার ১০ থেকে ১৪ দিন পর পরীক্ষা করলে বেশি ভালো ফল পাওয়া যায়।

মাসিক মিস হওয়ার কতদিন পর প্রেগন্যান্ট বোঝা যায়

চিকিৎসকদের মতে, মাসিক মিস হওয়ার ১০ দিন পর প্রেগন্যান্ট বোঝা যায়। প্রেগন্যান্ট হলে শরীরে অ্যাস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনোর মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বমি বমি ভাব বেড়ে যায়। অধিকাংশ মহিলা গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহ থেকে বমির সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এরকম কিছু লক্ষণ আপনি বুঝতে পারবেন।
পিরিয়ডের তারিখ শেষ হওয়ার ১০ থেকে ১৪ দিন পর পরীক্ষা করলে বেশি ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ঘরোয়া পরীক্ষা করে নেওয়াই ভালো। এই পরীক্ষায় পজেটিভ আসলে হাসপাতালে গিয়ে রক্তের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। তারপর একজন গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে

লবণ দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট

বাড়িতে ব্যক্তিগতভাবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার জন্য এটি একটি প্রাকৃতিক কৌশল।
● প্রথমে একটি পাত্রে আপনার প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করুন।
● এরপরে, একটি পরিষ্কার বাটিতে এক টেবিল চামচ লবণ নিন।
● এরপর সেই লবণের উপরে প্রস্রাব ঢেলে দিন।
● কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
● কোনও নির্দিষ্ট অপেক্ষার সময়কাল নেই কারণ এক্ষেত্রে বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন পরামর্শ থাকে।
কীভাবে এই টেস্টের ফলাফল পড়তে হয়? 
● তত্ত্ব অনুযায়ী, যদি কেউ গর্ভবতী হন, তবে মিশ্রণটি:
– রূপগত দিক থেকে “চিজ” বা “দুধের” মতো রঙ হয়ে যায়।
– মিশ্রণের উপরে ফেনাও থাকতে পারে।
– যদি আপনার প্রস্রাবের ফলে লবণ জমে যায়।
– থকথকে বা টেক্সচার পরিবর্তন হয়ে যায়।
● যদি কেউ প্রেগন্যান্ট না হন তবে এতে কোনও পরিবর্তন দেখা যাবে না। এটি কেবল প্রস্রাবের মতো দেখতে হবে যার মধ্যে কিছুটা লবণ থাকবে।
● এও হতে পারে যে লবণের উপরে ফেনা তৈরি হয়, এমনটা হলে সেটা অবৈধ ফলাফল।

পিরিয়ডের কতদিন আগে সহবাস করলে গর্ভবতী হয় না

প্রিয় বোনেরা আপনারা অযথা গর্ভনিরোধক কোন ট্যাবলেট খাবেন না। কারন গর্ভনিরোধক ট্যাবলেটের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। মেয়েদের পিরিয়ডের সময় প্রাকৃতিক ভাবে নির্ধারিত হয়ে থাকে। এতে এমন কিছু দিন রয়েছে যাকে সেফ পিরিয়ড দিন বা নিরাপদ দিন বলে। এই দিন গুলোতে আপনারা যত খুশি তত মেলামেশা করতে পারেন। 
এতে আপনি সহজে প্রেগন্যান্ট হবেন না। ধরুন আপনার পিরিয়ড ২৮ থেকে ২০ দিন অন্তর হয়৷ তবে ২৮-১৮= ১০, অর্থাৎ পিরিয়ড শুরুর পর থেকে প্রায় ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ, এই দিনগুলিতে কোনও সুরক্ষা ছাড়াই সঙ্গম করতে পারেন। গর্ভধারণ হবে না।

মাসিকের কতদিন পর সহবাস করলে গর্ভবতী হয় না

মাসিকের কোন দিনই প্রকৃত নিরাপদ দিন নয়। উপরে উল্লেখিত নিরাপদ সময়ে সহবাস করলেও গর্ভধারণের স্বল্প হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থেকে যায়। কাজেই অপর কোন জন্মনিয়ন্ত্রণের উপায়, যেমন কনডম বা বিল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ যাদের মাসিক অনিয়মিত বা ২৮ দিনের থেকে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু উপরোক্ত হিসাব প্রযোজ্য নয়।
তাই ক্যাজুয়াল সহবাস বা বিবাহ বহিঃর্ভূত সহবাস করার সময় এই পদ্ধতির ওপর কখনোই নির্ভর করা উচিত নয়। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র সেই সকল দম্পতিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা হয়তো এখনই বাচ্চা-কাচ্চা চান না কিন্তু নেহাৎ হয়ে গেল কোন অসুবিধা নেই।সহবাস করার পর এই যে একজন নারী সব সময় গর্ভবতী হবেন বিষয়টা এমন নয়। গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে পিরিয়ডের দিন এর ওপর। চলুন আজকে আমরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেই।
সহবাসের পর স্পার্ম বা শুক্রাণু নারীর জরায়ুর ভেতরে প্রবেশ করে সর্বোচ্চ পাঁচ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। যদি কোন নারী তার পিরিয়ড শুরু হবার ১৪ তম দিনে কিংবা তার আশেপাশে কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই সহবাস করে তবে তার গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা বেশি। সুতরাং সঠিক সময়ে যদি সহবাস করা হয় তবে সহবাসের চার থেকে পাঁচ দিন পরেই সেই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়বেন। 
তবে পিরিয়ডের ১৪ তম দিন কিংবা এর আশেপাশের তারিখ ছাড়াও একজন নারী গর্ভবতী হতে পারেন কিন্তু সেই সম্ভাবনা টা অনেক কম। আবার প্রথমবার মিলন এই যে একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়বেন বিষয়টা এমন নয়। এটি সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে নারী এবং পুরুষের শারীরিক সুস্থতা ও পিরিয়ডের উর্বর দিনগুলোর ক্রমের উপর।

মাসিক এবং গর্ভাবস্থা

প্রতিটি নারীরই মাসিক চক্র এবং কখন গর্ভধারণ করতে পারা যায় সেই দিনগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। এতে করে পিরিয়ডের কত দিন পরে আপনি গর্ভবতী হতে পারবেন, মাসিকের কতদিন পর গর্ভধারণ হয় অথবা গর্ভবতী হতে পারবেন কিনা তা নিজেই হিসাব করতে পারবেন৷ মনে রাখবেন, মাসিক এবং গর্ভাবস্থা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। 
পুরুষের শুক্রাণুর সাহায্যে নারীর ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে একজন নারী গর্ভবতী হয়। যদি স্ত্রীর ডিম্বাণু নিষিক্ত থাকে তবে তা ঋতুস্রাবের আকারে জরায়ুর আস্তরণের সাথে ঝরে যায়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মাসিকের সময় গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা কতটা ক্ষীণ। 

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি?

গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ বা এসময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হলো পিরিয়ড মিস করা। এছাড়াও নিম্নোক্ত লক্ষ্মণগুলি দেখা দিতে পারে-
  • প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব
  • ক্লান্তি অনুভব করা
  • চাপ দিলে স্তনে ব্যথা অনুভব করা
  • প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া
  • পিরিয়ড বা মাসিকের ব্যথার মতো তলপেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া
  • পেটে অস্বস্তি বা পেট ফাঁপা হয়েছে এমন মনে হওয়া
  • সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া 
  • শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া

শেষ কথা

গর্ভধারণ হল একটি জটিল প্রক্রিয়া যা মাসিক চক্রের মধ্যে সময় সহ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়। যদিও আপনি ডিম্বস্ফোটনের সময় সহবাস করলে গর্ভবতী হওয়া সম্ভব, তবে আপনার পিরিয়ডের পরে কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন নেই যা গর্ভধারণের নিশ্চয়তা দেয়। বন্ধুরা আমার পোষ্টটি পড়ে আপনাদের ভালো লেগে থাকলে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন এবং পোষ্টের মধ্যে কোন ভুল তথ্য থাকলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। কারন আমি যতেষ্ট চেষ্টা করেছি সঠিক তথ্য টা আপনাদের মাঝে দিতে ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

আরর্টিকেল নিয়ে কিছু ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

কত দিন পর টেস্ট করলে গর্ভবতী বোঝা যায়?
পিরিয়ডের তারিখ পার হয়ে যাওয়ার ১০ থেকে ১৪ দিন পর পরীক্ষা করলে বেশি ভালো ফল পাওয়া যায়।
কি করে বুঝবেন আপনি প্রেগন্যান্ট কি না?
  • প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব
  • ক্লান্তি অনুভব করা
  • চাপ দিলে স্তনে ব্যথা অনুভব করা
  • প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া
  • পিরিয়ড বা মাসিকের ব্যথার মতো তলপেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া
  • পেটে অস্বস্তি বা পেট ফাঁপা হয়েছে এমন মনে হওয়া
  • সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া
  • শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া
মর্নিং সিকনেস কি?
মর্নিং সিকনেস হল ছুঁড়ে ফেলার মতো অনুভূতি, যাকে বমি বমি ভাবও বলা হয় এবং ছুঁড়ে ফেলা, যাকে বমিও বলা হয়, যা গর্ভাবস্থায় ঘটে।
বাচ্চা হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি?
স্তন নরম হয়ে যাওয়া মেজাজে চরম পরিবর্তন হওয়া বমি-বমি ভাব বা বমি (প্রভাতকালীন অসুস্থতা) ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
পিরিয়ড মিস না হলে কি গর্ভবতী হয়?
পিরিয়ড মিস না-হওয়া সত্ত্বেও অনেক মহিলাই গর্ভধারণ করেন।
53 বছর বয়সে কি গর্ভবতী হওয়া যায়?
50 বছর বয়সে স্বাভাবিকভাবে গর্ভবতী হওয়া অসম্ভব নয়, এটি খুব বিরল ।
কোন বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকি বেশি?
একজন মহিলার গর্ভাবস্থাকে উচ্চ ঝুঁকি হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে যদি তার বয়স:১৭ বা তার কম । বয়স ৩৫ বা তার বেশি।
গর্ভাবস্থায় ৯ মাস কত সপ্তাহ?
৩৪-৩৬ সপ্তাহ হয়।
জরায়ু কোন দিকে থাকে?
আপনার জরায়ু আপনার পেলভিসের মাঝখানে বসে।

একজন মহিলার গড় ডিম্বাণু কয়টি?
একজন মহিলার ডিম্বানু ১ থেকে ২ মিলিয়ন ডিম্বানু থাকে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *