গর্ভাবস্থায় শারিরিক কোন সমস্যা না থাকলে কাজ করতে পারবে গর্ভবতী মেয়েরা। শরীর নিয়ে নরাচরা বা কাজকর্ম করলে বাচ্চা প্রসব করতে কোন সমস্যা হয় না।গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ তা আমরা এই পোষ্টে জানব। এসময় মেয়েদের শরীর এমনিতেই ভারী হয়ে যায়। তেমন কোন ভারী কাজ করতে ইচ্ছে করে না।
ভারী কাজ করলে তো এমনিতেই সমস্যা হয়ে যাবে। এই জন্য এমন কিছু কিছু কাজ আছে যা গর্ভাবস্থায় মেয়েদের করা উচিত না। সাবধানে এবং সর্তক থাকাটাই ভালো হবে।
ভৃমিকা
গর্ভাস্থায় মেয়েদের জীবনের একটি বিশেষ সময়। এই সময় শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন ঘটে তাদের জীবনে। গর্ভাবস্থায় শরীরের অনেক ওজন বেড়ে যায় এবং মেজাজ খিটখিটে থাকে। তাছারাও শরীরে বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। বড় কোন সমস্যা না হওয়ার জন্য কোন ভারী কাজ তো করাই যাবে না। তবে ডাক্তারেরা বলে, হালকা পাতলা কাজ করতে পারে।
গর্ভবতী মায়ের খাবার
গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির উপরে নির্ভর করে গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি বিকাশ ও ভবিষ্যৎ জীবনে ভালো থাকা। তাই সুষম সহজপাচ্য ও সঠিক পরিমাণ আহার প্রয়োজন। গর্ভ অবস্থায় সুষম আহার বলতে বুঝায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশি পরিমাণ শর্করা ও কম পরিমাণ চর্বি জাতীয় খাদ্যের সঙ্গে উপযুক্ত পরিমান লৌহ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, ও অন্যান্য পদার্থ যথা ,জিংক, ফলিক, এসিড, পটসিয়াম, সেলিনিয়াম, প্রভীতি।
সম্ভব হলে দিনে এক লিটার দুধ একবার, দুই টুকরা মাছ বা মাংস একটি ডিম একটি বা দুইটি ঋতুক্যালিম ফল, টাটকা শাক-সবজি এবং ভাত ও ডাল পেট ভরে খাওয়া উচিত। নিরামিষ ভোজীদের দুধের পরিমাণ বাড়াতে হবে। তা ছাড়াও অঙ্কিত ছোলা ও খাদ্য তালিকায় যোগ করা উচিত। প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ গ্লাস ফুটানো পানি ঠান্ডা করে খাওয়া প্রয়োজন।