২৯০০+ স দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২৪শ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম খুঁজছেন? তাহলে আপনার…
Posted inTips & Tricks ব্যাংকিং সেবা মোবাইল তথ্য শিশুর যত্ন
২৯০০+ স দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২৪
অনলাইনে লুডু খেলে টাকা উপার্জন করুনস দিয়ে মেয়েদের অর্থসহ ইসলামিক নাম খুঁজছেন? আসসালামু আলাইকুম প্রিয়…
চুলের জন্য পেঁয়াজের উপকারিতা ও অপকারিতা (বিস্তারিত জানুন)
আপনার মাথার চুল কি রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, অকালে চুল ঝরে পরে, চুল পেকে যাচ্ছে তাহলে…
সিডিল ২০ ১০ টি খেলে কি হবে – সেডিল কিসের ওষুধ
সিডিল ২০ ১০ টি খেলে কি হবে এবং সেডিল কিসের ঔষধ। আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক…
মরিয়ম ফুল খেলে কি বাচ্চা হয় – মরিয়ম ফুল খাওয়ার নিয়ম
আসসালামু আলাইকুম আমাদের প্রিয় পাঠক গণ। আজ আমরা এই পোষ্টে আলোচনা করবো মরিয়ম ফুল খেলে…
মেসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস – মিসওয়াকের হুকুম
ইসলামিক শর্ট প্রশ্ন ও উত্তরমেসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস? আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা।…
Posted inশিশুর যত্ন
কিভাবে বুঝব বাচ্চা বুকের দুধ পাচ্ছে – বাচ্চা বুকের দুধ না পেলে কি করব
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। নিশ্চয় আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজ এই আরর্টিকেলে লেখা হয়েছে কিভাবে বুঝব…
Posted inশিশুর যত্ন
গর্ভাবস্থায় কি খাবার খেলে বাচ্চার ওজন বাড়ে – বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধির চার্ট
আসসালামু আলাকুম বন্ধুরা । নিশ্চয় আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। বন্ধুরা আজ আমরা লিখেছি গর্ভাস্থায় কি খাবার খেলে বাচ্চার ওজন বাড়ে সে সম্পর্কে। গর্ভকালীন সময়ে অনেক গর্ভবতী বোনদের বাচ্চার ওজন বাড়ে না এই সময় কি খাবার খেয়ে বাচ্চার ওজন বাড়াবে সে সম্পর্কে অনেক গর্ভবতী বোনের সঠিক ধারনা নেই।
আসলে একজন গর্ভবতী মায়েল নিজের সুস্থ্যতার পাশাপাশি একটা সুস্থ্য বাচ্চা জন্ম দেয়ার জন্য গর্ভকালীন সময় থেকে কিছু সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গরে তুলতে হবে। যার ফলে বাচ্চা ধীরে ধীরে পেটের মধ্যে বড় হবে এবং বাচ্চার ওজন বাড়বে।
ভৃমিকা
বাচ্চার ওজন বাড়ানোর জন্য বাচ্চার মাকে খাবারের প্রতি রুচিশীল হতে হবে। গর্ভবতী হওয়ার প্রথম দিক থেকেই একজন গর্ভবতী মাকে খাবারের প্রতি সর্তক থাকতে হবে। কারন ৬ মাস পর্যন্ত শিশুর ওজন কম থাকলেও এই সময় শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। নিচে গর্ভকালীন সময়ে বাচ্চার ওজন বাড়ানোর কিছু বিষয় আলোচনা করা হলো-
বয়স অনযায়ী বাচ্চার ওজন কত হওয়া উচিত
শিশুদের বিকাশের ক্ষেত্রে তাদের বৃদ্ধি এবং ওজন পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাবা-মায়ের প্রায়ই ভাবছেন বয়স অনুযায়ী বাচ্চার ওজন কত হওয়া উচিত। বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে শিশুদের জন্য আদর্শ ওজন পরিসীমা বোঝা তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে । একটি শিশুর বয়সের উপর ভিত্তি করে তার ওজন ঠিক রাখার দায়িত্ব একটি বাবা মায়ের। চলুন বন্ধুরা বয়স অনুযায়ী একটি বাচ্চার ওজন কত হওয়া উচিত জেনে নিই।
গর্ভাবস্থায় কি খাবার খেলে বাচ্চার ওজন বাড়ে
গর্ভ অবস্থায় বাচ্চার ওজন নিয়ে আপনিরা চিন্তিত হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন জাতীয় ঔষধ খেতে হবে এবং তার পাশাপাশি মায়ের খাবারের দিকে আরো ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে গর্ভে শিশুর ওজন বাড়ানোর জন্য মায়ের খাবার তালিকায় যে খাবারগুলি থাকা উচিত।
সঠিক ওজনের একটি নবজাতক বাচ্চা মানে একটি স্বাস্থ্যবান বাচ্চা। কিন্তু গর্ভবতী মায়েরা পুরো ৯ মাস জুড়ে ঠিকমতো খাবার ঠিকমতো না খেলে গর্ভের বাচ্চার ওজন ঠিকমত বাড়ে না। তখন প্রশ্ন আসে কি খেলে গর্ভের বাচ্চার ওজন বাড়ে।
প্রেটিন জাতীয় খাবার
শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে গর্ভবতী মাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম দরকার পড়ে। এক্ষেত্রে দুধ হল সবচেয়ে ভালো উৎস। দুধে এই দুটি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। তাই গর্ভে শিশুর ওজন বাড়াতে দৈনিক ২০০ থেকে ৫০০ গ্রামের মত দুধ পান করা উচিত। যারা সরাসরি দুধ খেতে পারে না তারা দুধের পায়েস, মিল্কশেফ, দ,ই বা অন্য কিছু বানিয়ে খেতে পারেন।
মুরগির মাংস
মুরগির মাংস সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন নিয়মিত খেতে পারেন। এতে আপনার শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও পুষ্টি ভালোমতো হবে। এবং তার ওজনও বাড়বে ।কেননা মুরগির মাংস শিশুর পেশী ও কোষের বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিম
ভিটামিন এ ,ডি, ই প্রোটিন এমিনো এসিডের উৎস হলো ডিম। শুধু গর্ভবতী নয় যাদের নিজস্ব ওজন কম তারাও ডিম খেতে পারে। এখন মূল বিষয় হলো ডিম কিভাবে খেতে হবে। একমাত্র সিদ্ধ ডিম খাওয়া উচিত। ভাজা বা আদা সিদ্ধ ডিম নয় পুরোপুরি সিদ্ধ ডিম খেতে হবে।
বাদাম
আয়রন, জিংক, কপার, ফলিক এসিডে, ভরপুর বাদাম ।এটি নিয়মিত খেলে আপনার শিশুর ওজন বাড়বে। সব ধরনের বাদাম খেতে পারেন। যে সকল বাদাম ভেজে খেতে হয় সেগুলো ভাজা হলে খাবেন। কিছু বাদাম কাচা খাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে এ ধরনের বাদাম পরিষ্কার পানিতে দীর্ঘদিন ভেজানোর পর খাবেন। আর দৈনিক এক মুঠো পরিমান বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
সবুজ শাকসবজি
সকল ধরনের নিরাপদ সবুজ শাকসবজি গর্ভবতীদের বেশি বেশি খাওয়া উচিত। এতে গর্ভের শিশুর ওজন বাড়বে এবং শারীরিক রোগ- প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কমপক্ষে একটি আইটেম সবুজ শাকসবজি অবশ্যই থাকা দরকার।
ডাল- মটরশুঁটি
প্রাণিজ আমিষের পাশাপাশি ডাল মটরশুঁটির জাতীয় খাবারগুলো আমি শের ভালো উৎস ।এগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জিংক ও অন্যান্য উপাদান রয়েছে। অকাল মৃত্যুহার বা রোগের সম্ভাবনা দূর হয়। এবং পেটের বাচ্চা ও ভালো থাকে।
আলু
শিশুর ওজন বাড়াতে চাইলে তার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে ৪০ ভাগ কার্বোহাইড্রেট রাখতেই হবে। কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে ভাল উৎস হল আলু। আলুতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
কলা
কলায় আছে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬। এ সব উপাদান শিশুর শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কলা দিয়ে মিল্কশেক তৈরি করে খাওয়াতে পারেন। এ ছাড়াও কলার প্যানকেক, কেক ও মাফিনও খাওয়ানো যেতে পারে।
Posted inশিশুর যত্ন
শিশুর পাতলা পায়খানা বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় জেনে নিন
ছোট শিশুদের প্রায় প্রায় পেট খারাপ হয়েই থাকে এবং তার সাথে বমি বমি ভাব লেগেই…
Posted inশিশুর যত্ন
শিশুদের সুরক্ষায় কি কি রোগে অগ্রিম টিকা দেওয়া হয় বিস্তারিত জানুন
গর্ভবস্থায় কি খাবার খেলে বাচ্চার ওজন বাড়ে জেনে নিনশিশুদের সুরক্ষায় কি কি রোগে অগ্রিম টিকা…