আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা গুলো বিস্তারিত জানুন

আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা- আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালো আছেন। আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা গুলো এবং আমলকির ক্ষতিকর দিক, কাঁচা আমলকি খাওয়ার নিয়ম , প্রতিদিন আমলকি খেলে কি হয়, হরিতকি খাওয়ার নিয়ম, হরতকি খেলে কী হয়, ইত্যাদি বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। জানার জন্য আরর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।
আমলকি-হরিতকি-বহেরার-উপকারিতা 
আমলকি, হরিতকি, বহেরার এই তিনটি ফল সব রোগের আশ্চর্য মহৌষধ হিসাবে কাজ করে। আমলকি হরতকি এবং বহেরা এই তিন ফলের মিশ্রন কে ত্রিফলা হয়ে থাকে। এই তিনটি ফল দিয়ে আয়ুর্বেদিক ঔষধ তৈরী করা হয়। এই ত্রিফলার ঔষধ গুলো খেয়ে বিভিন্ন রোগ ভালো হয়। আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা গুলো কি কি?

আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা?

আমলকি হরিতকি বহেরার উপকারিতা- আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে বিভিন্ন রোগ এবং ব্যাধিকে ভালো করে এই তিনটি ফলের আয়ুর্বেদিক ঔষধ। নিয়ম করে যদি ত্রিফলা গুলো খাওয়া হয় তাহলে শরীরের অনেক ‍উপকার মিলবে। আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা এই তিনটি ফল  খাওয়া যায়। এই ফল গুলো শুকিয়ে চুর্ণ করে ত্রিফলার মিশ্রন করে খাওয়া যায়। এই তিনটি ফল মানুষের শরীরের জন্য কতটা উপকারি তা আগে জেনে নেওয়া যাক।

আমলকি খাওয়ার উপকারিতা?

আমলকি খাওয়ার উপকারিতা- আমলকি একটি ছোট ফল এবং বিশেষ গুন সম্পন্ন একটি ফল। যদি পারেন প্রতিদিন একটি করে আমলকি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই জন্য  আমলকি মানুষের স্বাস্থ্যর জন্য খুবই উপকারি। কাচা আমলকি খেতে না পাড়লে আমলকির মোরব্বা অথবা আচার করে খাবেন। প্রতিদিন নিয়মিত আমলকি খেলে আপনার শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার নিশ্চয়তা দিবে। দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক আমলকি খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি?
  • দিনে দুই বার এক গ্লাস দুধের সাথে আমলকির গুড়া এবং এক চামুচ চিনি মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করবে।
  • আমলকির রস পেটের কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দুর করতে সাহায্য করে এবং পেটের বদ হজম নিয়ত্রন করতে সাহায্য করে।
  • রাতে আমলকি থেতো করে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে রাখবেন সকালে সেই পানি খাবেন তাহলে খাবার হজমে সাহায্য করবে এবং ভাতের সাথে আমলকির আচার খেলে হজম করতে সাহায্য করে।
  • প্রতিদিন নিয়মিত আমলকি খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং চোখের বিভিন্ন দরনে সমস্যা যেমন, চোখের চুলকানি, পানি পড়া ইত্যাদি ভালো হয়ে যায়।
  • এক কাপ আমলকির রসের সাথে এক চামুচ মধু মিশিয়ে খেলে ত্বকের কালো দাগ দুর হবে এবং ত্বকের উজ্জলতা বাড়তে থাকবে।
  • মাথায় খুসকি হলে আমলকি খেলে খুসকির সমস্যা দুর হবে এবং চুল পাকা সমস্য থাকলে প্রতি রোধ করবে।
  • আমলকি চুল পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ন কাজ করে। আমলকির রস চুলে ব্যাবহার করলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল বাড়াতে সাহায্য করে।
  • প্রতিদিন একটি করে আমলকি খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দুর হয়ে যাবে এবং দাঁত শক্ত ও মজবুত হবে।
  • ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার রোগী প্রতিদিন আমলকির জুস করে খেলে বেশ উপকার পাবে।
  • আমলকির টক এবং আচার মুখের রুচি বাড়ায় এবং খিদে বাড়ায়।
  • শরীরের চর্বি এবং অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।
  • বমি বমি ভাব, শরীর ব্যাথা, কফ, অনিদ্রা ইত্যাদিতে আমলকি অনেক উপকার করে।
  • নিয়মিত আমলকি খাওয়ার ফলে শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং পেশি মজবুত করে।
  • শরীরের লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা দিনে দিনে বাড়িয়ে তোলে। এবং হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুসকে মজবুত রাখে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ত্রনে সাহায্য করে এবং ব্লাড সুগার নিয়ত্রন করে।
  • নিয়মিত আমলকি খাওয়া হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং মানসিক চাপ কমাবে।

প্রতিদিন কয়টা আমলকি খাওয়া উচিত?

প্রতিদিন কয়টা আমলকি খাওয়া উচিত- আমলকী ফলে রয়েছে ঔষধী গুন। আমলকী গাছের ফল এবং পাতা দুটোই ঔষধ রুপে ব্যাবহার হয়। এই ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। বিভিন্ন পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, লেবু এবং পেয়ারার থেকে ৩-১০ গুন বেশি ভিটামিন সি আছে। আমলকীতে কমলার চেয়ে ১৫ গুন বেশি ভিটামিন সি এবং আপেলের চেয়ে ১২০ গুন বেশি এবং কলার চেয়ে ৬০ গুন বেশি ভিটামিন সি আছে আমলকিতে। 
ডাক্তারদের মতে একজন পূর্ণবয়স্ক লোকদের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি দরকার। এইজন্য দিনে দুটো করে আমলকী খেলে ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি শরীরে প্রবেশ করবে। বিভিন্ন দন্ত রোগ সারাতে আমলকীর কোন তুলনা হয় না। আমলকী আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি ফল। প্রতিদিন ২টি করে আমলকি খাওয়ার চেষ্টা করবো। ‍

কাঁচা আমলকি খাওয়ার নিয়ম? 

কাঁচা আমলকি খাওয়ার নিয়ম – কাঁচা আমলকী কিভাবে খেতে হয় তা নিচে দেওয়া হলো-
  • কাঁচা আমলকি টুকরো করে কেটে নিয়ে রাতে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন। সকালে সেই পনি খাবেন এবং পানি খাওয়া হয়ে গেলে টুকরো আমলকি গুলো খেয়ে নিবেন।
  • শুকনো মরিচ লবণ দিয়ে চাটনি করে কাচা আমলকি খাওয়া যাবে। দিনে দুইটা খেতে পারবেন।
  • আমলকির রস করে এক চামুচ মধু বা মিশ্রি মিশেয়ে খেয়ে নিতে পারবেন।
  • সকালে খালি পেটে আমলকির রস খেতে পারবেন। তবে বয়স অল্প হলে ১০ মিলিগ্রামের বেশি খাওয়া যাবে না।
  • কাঁচা আমলকি ভাতের সাথে খাওয়া যাবে।
  • আমলকিতে শুকনো মরিচের গুড়া এবং সামান্য লবণ দিয়ে রোদে শুকিয়ে কাচের বয়ামে সংরক্ষিত করে রেখে খাওয়া যায়।
উপরের যে কোন নিয়মেই খান না কেন কোন সমস্যা নেই। আমলকি কাঁচা চিবিয়ে খান অথবা থেতো করে রস বের করে খান দুটোতেই সমান উপকার পাবেন।

প্রতিদিন আমলকি খেলে কি হয়?

প্রতিদিন আমলকি খেলে কি হয়- প্রতিদিন আমলকি খেলে ত্বকের উজ্জলতা বাড়ে, মাথার খুসকি দুর হয়, দ্রুত চুল লম্বা হয়, চুলের গোড়া মজবুত হয়, পেটের বিভিন্ন সমস্যা দুর হয় যেমন, বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটি, কোষ্টকাঠিন্য ইত্যাদি। পেয়ারা, কলা, লেবু, কমলা, আপেল এর চেয়ে আমলকিতে রয়েছে বেশি ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি শরীরের আন্টি-অক্সিডেন্ট বিপাকের হার বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন আমলকি খেলে সর্দি-কাশিভালো করে, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ত্রন করে এবং 
পেটের সমস্যা দুর করে।আমলকি কাঁচা অথবা আচার, মোরাব্বা করে খেতে পারবেন। অন্যান্য ফলের চেয়ে আমলকীতে প্রচুর ভিটামনি সি আছে। এই ফল নিয়মিত খাওয়ার ফলে শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং শরীরের ব্যাথা বেদনা সহজেই দুর করে দেয়। প্রতিদিন ২ টা আমলকি ভালো করে বেটে একটু মধু মিশিয়ে খাবেন এতে ভালো উপকার পাবেন। প্রতিদিন আমলকী খেলে কি হয় আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক অতিরোক্ত আমলকি খেলে কি ক্ষতি হয়?

আমলকির ক্ষতিকর দিক?

আমলকির ক্ষতিকর দিক- শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ এবং ত্বক, চুল সব কিছুতেই আমলকির উপকারিতা অনেক। ১ টি আমলকিতে রয়েছি ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি এবং ফাইবার। এইজন্য ডাক্তাররা নিয়মিত আমলকী খেতে বলেন। কিন্তু এতো উপকারি ফলটি অতিরোক্ত খাওয়ার ফলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি ও হতে পারে। চলুন জেনে নিই অতিরোক্ত আমলকি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে।
রক্ত পাতলা হয়ে যায়ঃ
আমলকিতে রয়েছে আন্টিপ্লেটলেট বৈশিষ্ট, যা অতিরোক্ত খাওয়ার ফলে শরীরের রক্ত পাতলা হয়ে যায় এবং রক্ত জমাট বাধতে বাধা দেয়। যাদের রক্ত পাতলা হওয়ার আশঙ্কা আছে তাদের আমলকি না খাওয়াটাই ভালো হবে। যাদের রক্ত পাতলা আমলকি খেলে আরো বেশি রক্ত পাতলা হয়ে যাবে। রক্ত পাতলা হলে কেটে বা ছিরে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে সমস্যা হবে।
কিডনিতে পাথরঃ
আমলকিতে রয়েছে আক্সালেট। অতিরোক্ত আমলকি খেলে আমলকির আক্সালেটের কারনে কিডনিতে পাথর জমে যাবে। এই জন্য অতিরোক্ত আমলকী খাওয়া যাবে না।
দাঁতের সমস্যা হবেঃ
আমলকি ফল প্রচুর টক যা অতিরোক্ত খাওয়ার ফরে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যাবে।যার ফলে ক্যাভিটি এবং টুথ সেনসিটিভিটির মতো দাঁতের অনেক সমস্যা হবে। আমলকি ১ টা বা ২ টা যাই খান না কেন, খাওয়ার পরে দাঁত ভালো করে পরিষ্কার করে নিবেন অথবা আমলকি রোদে শুকিয়ে নিলে টক ভাব কমে যাবে। তখন খেলে দাঁতের কোন সমস্যা হবে না।
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হবেঃ
আমলকিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকায় অতিরোক্ত খেলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হবে। তাছারাও বেশি আমলকী খেলে প্রস্রাবের দুর্গন্ধ বেশি হবে। এই জন্য অতিরোক্ত আমলকি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনির উপর প্রভাবিত করবেঃ
যাদের কিডনি সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে তারা আমলকি থেকে ১০০ হাত দুরে থাকবেন। অতিরোক্ত আমলকি খাওয়ার ফলে শরীরে সোডিয়ামের পরিমান বেড়ে যায়, যার ফলে কিডনি সমস্যা এবং রক্ত চাপকে প্রবাবিত করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারেঃ
অতিরোক্ত আমলকি খাওয়াতে পেটের মল শক্ত হয়ে যায়। আপনার যদি প্রতিদিন আমলকি খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে আমলকি খাওয়ার পরে বেশি করে পানি পান করুন। তাহলে এরকম সমস্যা হবে না।
অ্যাসিডিটি বাড়ায়ঃ
আমলকি যেহেতু টক ফল সেহেতু অতিরোক্ত খাওয়ার ফলে অ্যাসিডিটি সমস্যা বাড়িয়ে দিবে। যাদের অ্যাসিডিটি সমস্যা আছে তারা সকালে খালি পেটে আমলকি বা আমলকির রস খাবেন না। কিছু খাওয়ার পরে খাবেন তাতে ভালো হবে।

হরিতকির উপকারিতা?

হরিতকির উপকারিতা- সবুজ তিতা স্বাদের এই হরিতকি ফলের অনেক গুন আছে। হরিতকি ফল অন্যতম এবং মহৌষধ বলা হয়। এই ফলের ঔষধ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যাবহত হয় তেমনি রান্নাতেও হরিতকির নানা রকমের ব্যাবহার হয়। এই তিতা স্বাদের ফলে রয়েছে ট্যানিন, অ্যামাইন এসিড এবং ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল। এই ফল এবং ফলের ঔষধ বিভিন্ন উপকার করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক হরিতকি ফলের উপকারিতা কি কি?

অবিবাহিত মেয়েদের জরায়ুতে টিউমার কেন হয় (বিস্তারিত জানুন)

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালোই আছেন। অবিবাহিত মেয়েদের জরায়ুতে টিউমার…

গর্ভাবস্থায় নাপা এক্সটেন্ড খাওয়া যাবে কি?

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালোই আছেন।আমরা আবারো হাজির…

টাফনিল ঔষধের কাজ- টাফনিল কোন রোগের ঔষধ (বিস্তারিত জানুন)

দাঁতের ব্যাথায় করণীয় ঔষধ ঘরোয়া (বিস্তারিত জানুন)আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর…

দাঁতের ব্যথায় করনীয় ঔষধ ঘরোয়া (বিস্তারিত জানুন)

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালো আছেন। হঠাৎ দাঁতের…

কোমরের ব্যথা কমানোর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট (বিস্তারিত জানুন)

দ্রুত পেটের গ্যাস কমানোর উপায় জেনে নিনআসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর…

২২ ক্যারেট রুপা চেনার উপায়- চান্দি রুপার ভরি কত?

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক। নিশ্চয় আল্লহর রহমতে সকলেই ভালোই আছেন। আজ আমরা এই পোষ্টে ২২ ক্যারেট রুপা চেনার উপায় ও চান্দি রুপার ভরি কত এবং রুপার ক্যারেট চেনার উপায় নিয়ে আপনাদেরকে বিস্তারিত জানাবো। অগেকার দিনে চান্দি রুপা বিক্রি হয়েছে কোন হলমার্ক ছারাই। কিন্তু বর্তমান সময়ে চাদি ও রুপা ক্যারেট হিসাবে বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেট রুপা চেনার উপায় জানতে হলে আরর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।
২২-ক্যারেট-রুপা-চেনার-উপায়
২২ ক্যারেট রুপা চেনার উপায় এবং চান্দি রুপার ভরি। রুপার বাজারে রুপা কিনতে গিয়ে আগেকার দিনে যাচাই বাছাই করা যেত না কিন্তু এখন বর্তমানে সোনার সঙ্গে মিল রেখে রুপার ও ১৮,২১, ও ২২, ক্যারেটের হলমার্কিং করা হয়েছে রুপার গহনাতে। আর রুপা কিনতে গিয়ে কেও ঠকবে না। কিন্তু রুপা কিনার আগে রুপার ক্যারেট গুলো চিনতে হবে এবং হলমার্কিং গুলো ভালো করে চিনতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ২২ ক্যারেট রুপা চেনার উপায় কি।

চান্দি রুপার ভরি কত?

চান্দি রুপার ভরি কত? চান্দি রুপা এবং সোনা প্রতিনিয়তই দাম বেড়েই চলছে। যেন কমার অবকাশ নেই। চান্দি রুপার অতিরোক্ত দাম হওয়ার কারনে মানুষ জন তাদের চাহিদা পূরণ করছেন সিটি গোল্ড বা ইমুটেশন দিয়ে। বর্তমানে চান্দি ও রুপার ভরি কত তা জনতে হলে আমাদের আরর্টিকেল টি শুরু শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো। বর্তমানে বিভিন্ন ক্যারেটের চান্দি রুপার দাম কত তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো-

চান্দি ও রুপা

২০২৪ সালের বাজারদর

পুরাতন ১ ভরি রুপার দাম=

১,২৮৩ টাকা মাত্র.

১৮ ক্যারেট এক ভরি রুপার দাম=

১,৭১৪ টাকা মাত্র.

২১ ক্যারেট এক ভরি রুপার দাম=

২,০০৬ টাকা মাত্র.

২২ ক্যারেট এক ভরি রুপার দাম=

২০৯৯ টাকা মাত্র.

প্রিয় পাঠক আপনারা যারা ভালো রুপা চিনতে পারছেন না তাদের কে বলছি, আপনারা রুপা কিনলে ২২ ক্যারেটের রুপার গহনা বানাবেন। কারন ২২ ক্যারেট রুপা বিশুদ্ধ এবং খাটি রুপা। আর রুপা কিনার সময় অবশ্যই কোন পরিচিত দোকান থেকে রুপা কিনবেন এবং রশিদ নেবেন। কারন পরবর্তিতে রুপার গহনার কোন সমস্যা হলে রুপা বিক্রেতাকে ধরতে পারবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

রুপার ক্যারেট চেনার উপায়?

রুপার ক্যারেট চেনার উপায়? হাজার হাজার টাকা দিয়ে রুপা কিনবেন অবশ্যই খাটি এবং বিশুদ্ধ রুপা কিনবেন। কিন্তু কিভাবে খাটি রুপা চিনবেন তা তো আপনি জানেন না। প্রিয় পাঠক আপনি যদি রুপার ক্যারেট চিনতে চান মানে খাটি রুপা কি রকম হয় তা বুঝতে চান তাহলে আমাদের আরর্টিকেল টি ভালো করে পড়তে থাকুন। চলুন জেনে নেওয়া যাক রুপার ক্যারেট চেনার উপায় কি? তিনটি উপায় দেখে আপনারা রুপা কিনবেন।
হলমার্কিং দেখে রুপার ক্যারেট চেনার উপায়
অনেক কাস্টমার আছেন যারা আজও পর্যন্ত জানেন না যে রুপার ক্যারেট চেনার জন্য হলমার্ক দেওয়া থাকে। নামকরা দোকান থেকে কিনলে অবশ্যই রুপার ক্যারেট সহজেই চিনতে পারবেন। রুপার ক্যারেট চেনার জন্য রুপার গায়ে লেখা থাকে 925 সংখ্যা খোদাই করা থাকে। কিন্তু এই হলমার্ক খালি চোখে দেখা যায় না। আতশকাচের মাধ্যমে রুপার হলমার্ক দেখতে পারবেন। নামকরা দোকান হলে অবশ্যই সেই দোকানে আতশকাচের ব্যাবস্থা থাকবে। রুপার ক্যারেট চেনার উপায়।
চুম্বুক দিয়ে রুপার ক্যারেট চেনার উপায়
মনে রাখবেন আসল রুপা চুম্বুকের ধানে কাছে নিয়ে গেলে চুম্বুক কে কখনোও আর্কষন করে না। আর যদি কোন রুপা চুম্বুকের দিকে নিয়ে গেলে আর্কষন করে তাহলে মনে করবেন যে । ঐ রুপাই কোন খাদ মেশানো আছে। রুপার ক্যারেট এবং খাটি রুপা চেনার জন্য এই উপায় টা বেশ সহজ একটা উপায়।
সাদা কাপর দিয়ে মুছে খাটি রুপা চেনার উপায়
আসল রুপা চেনার জন্য একটা সুতি সাদা কাপর নিবেন এবং রুপা ঘষে ঘষে মুছবেন। মুছার পরে কাপরের গায়ে যদি কারচে রঙ্গের দাগ লেগে যায় তাহলে বুঝবেন সেই রুপা আসল এবং খাটি রুপা। রুপার ক্যারেট চেনার উপায়।

২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়-২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক। নিশ্চয় আপনারা আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালোই আছেন। আজ আমরা এই আরর্টিকেলে আপনাদের জন্য ২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায় ও ২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায় নিয়ে বিস্তারিত জানাবো। অনেকেই সোনার দোকানে গিয়ে খাটি সোনা চিনতে পারে না তো তাদের জন্য এই আরর্টিকেল। আপনারা ১৮ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ২৪ ক্যারেট এবং খাটি সোনা কিভাবে চিনবেন তা জানতে হলে আমাদের আরর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।
২১-ক্যারেট-সোনা-চেনার-উপায়
২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়- সোনার দাম যতই হোক না কেন। সকল মেয়েরাই সোনা পড়তে চায় । কিন্তু বাজারে সোনা কিনতে গিয়ে অনেকেই ঠকে। আসল নকল বুঝতে পারে না। তো বন্ধুরা আমাদের আরর্টিকেল টি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন তাহলে আপনি সকল ক্যারেটের সোনা সহজেই চিনতে পারবেন। ২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়-২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়।

১৮ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়

১৮ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়? সোনা তো দামিই হয়। কিন্তু সেই দামি সোনা সঠিক ভাবে না চিনতে পারলে সহজেই ঠকে যাবেন স্বর্নের বিক্রেতার কাছে। ১৮ ক্যারেট সোনা কিরকম হয় তা আমরা আপনাদের বিস্তারিত জানাবো। ১৮ ক্যারেট সোনা কিরকম তা আপনি এই আরর্টিকেল টি পড়লেই সহজেই ১৮ ক্যারেট সোনা চিনতে পারবেন। চলুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক ১৮ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়।
১৮ ক্যারেট সোনায় ২৫ শতাংশ তামা ও রুপা মেশানো থাকে এবং ৭৫ শতাংশ সোনা থাকে। ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে সকল ধরনের ভারি-পাতলা গহণা তৈরী করা যাবে। ২১,২২,২৪ ক্যারেট সোনার তুলনায় ১৮ ক্যারেট সোনার মূল্য তুলনামুলকভাবে অনেক কম হয়ে থাকে। ১৮ ক্যারেট সোনার রং অন্য সোনার রং এর চেয়ে একটু গাড়ো লাল রঙ্গের হয়। তাছারাও ১৮ ক্যারেট সোনার গায়ে থাকবে 18K, 18Kt, 18k এরকম ছাপ দেওয়া থাকবে যা দেখলে আপনি সহজেই বুঝে নিবেন এই সোনা ১৮ ক্যারেটের। মাঝে মাঝে ১৮ ক্যারেট সোনার গায়ে এরক লেখা ও থাকে যেমন, 750, 0.75.

১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪

১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪- ২০২৪ সালে একভরি ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ৯৬,৮৩৫ টাকা মাত্র। আর ২০২৩ সালে ছিল ৯৫,৬৯১ টাকা মাত্র। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালে এক ভরি সোনার দাম বেড়েছে ১,১৪৪ টাকা। এখন আমরা আপনাদের সুবিধার জন্য ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি আনার মূল্য তালিকা নিচে দিয়ে দিলাম। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪?
  • এক আনা সোনার দাম—৬,০৫২= টাকা
  • দুই আনা সোনার দাম— ১২,১০৪ =টাকা
  • তিন আনা সোনার দাম—১৮,১৫৬= টাকা
  • চার আনা সোনার দাম—২৪,২০৮= টাকা
  • পাঁচ আনা সোনার দাম—৩০,২৬০= টাকা
  • ছয় আনা সোনার দাম—৩৬,৩১৩= টাকা
  • সাত আনা সোনার দাম—৪২,৩৬৫= টাকা
  • আট আনা সোনার দাম—৪৮,৪১৭= টাকা
  • নয় আনা সোনার দাম—৫৪,৪৫৯= টাকা
  • দশ আনা সোনার দাম—৬০,৫২১= টাকা
  • এগার আনা সোনার দাম—৬৬,৫৭৪= টাকা
  • বারো আনা সোনার দাম—৭২,৬২৬= টাকা
  • তেরো আনা সোনার দাম—৭৮,৬৭৮= টাকা
  • চৌদ্দ আনা সোনার দাম—৮৪,৭৩০= টাকা
  • পনের আনা সোনার দাম—৯০,৭৮২= টাকা
  • ষোল আনা সোনার দাম—৯৬,৮৩৫= টাকা

২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়

২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়? অনেকেই আছেন যে ২১ ক্যারেট এবং ২২ ক্যারেট সোনা একই মনে করেন। কিন্তু তা কখনো ও নয়। ২১ ও ২২ অবশ্যেই আলাদা আলাদা ক্যারেটের সোনা। ২১ ক্যারেট সোনা চেনার উপায় হলো সোনার গায়ে লেখা থাকবে, 21k==875 এই রকম লেখা থাকবে খুব ছোট অক্ষরে। ২১ ক্যারেট সোনার গায়ে যদি 21k লেখা না থাকে তাহলে দেখবেন 875( আট শত পঁচাত্তর) লেখা থাকবে তাহলে আপনি ধরে নিবেন যে সেই সোনা ২১ ক্যারেট সোনা।

২১ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪

২১ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪ – বর্তমান ২০২৪ সালে ২১ ক্যারেট সোনার দাম কত তা আমরা হয়তো অনেকেই সঠিক জানি না। আমাদের এই আরর্টিকেলে ২১ ক্যারেট সোনার সঠিক দাম তুলে ধরা হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস এর নির্ধারিত রেট অনুযায়ী ২১ ক্যারেট সোনার দাম দেখে নিন।
  • এক পয়েন্ট সোনার দাম— ১১৭.৬৮=টাকা
  • এক রতি সোনার দাম—১,১৭৬.৮৫=টাকা
  • এক আনা সোনার দাম—৭,০৬১.০৯=টাকা
  • দুই আনা সোনার দাম—১৪,১২২.১৯=টাকা
  • চার আনা সোনার দাম—২৮,২৪৪.৩৮=টাকা
  • আট আনা সোনার দাম—৫৬,৪৮৮.৭৫=টাকা
  • এক ভরি সোনার দাম—১১২,৯৭৭.৫০=টাকা

২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়

২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায়? বর্তমান বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য অনেক। অন্য সোনার চেয়ে ২২ ক্যারেট সোনা তুলুনামূলক ভাবে বেশি চলছে বর্তমান বাজারে। ১০০ শতাংশ ২২ ক্যারেট সোনার মধ্যে 8.33 রৌপ্য, ধাতু, নিকেল এবং অন্যান্য ধাতু মিশ্রিত থাকে। আর 91.67 শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা। ২২ ক্যারেট সোনার রং একটু উজ্জল ঝকঝকে হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধাতু মিশ্রিত থাকে বলে এই সোনা শক্ত পুক্ত হয়। কোন গহনা বানালে টেকশই হয় ভালো। 
২২ ক্যারেট সোনার গায়ে লেখা থাকবে 22K. আর 22K. না থাকলে 916 লেখা থাকবে। এই লেখা গুলো থাকলেই আপনি মনে করবেন যে এই সোনা ২২ ক্যারেট সোনা। চলুন এই বার জেনে নেওয়া যাক ২০২৪ সালে ২২ ক্যারেট সোনার বাজার মূল্য কত দাড়িয়েছে।

২২ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪

২২ ক্যারেট সোনার দাম ২০২৪- বর্তমানে ২০২৪ সালে এক ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৬,৯৫৫ টাকা। আর ২০২৩ সালে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ১,১৫,৮৮২ টাকা মাত্র। এক ভরিতে এক বছরে দাম বেড়েছে ১,০৭৩ টাকা মাত্র। চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতি আনায় সোনার দাম কত?
  • এক আনা সোনার দাম—৭,৩১২= টাকা
  • দুই আনা সোনার দাম— ১৪,৬২৪= টাকা
  • তিন আনা সোনার দাম—২১,৯৩৬= টাকা
  • চার আনা সোনার দাম—২৯,২৪৮= টাকা
  • পাঁচ আনা সোনার দাম—৩৬,৫৬০= টাকা
  • ছয় আনা সোনার দাম—৪৩,৮৭৩= টাকা
  • সাত আনা সোনার দাম—৫১,১৮৫= টাকা
  • আট আনা সোনার দাম—৫৮,৪৯৭= টাকা
  • নয় আনা সোনার দাম—৬৫,৮০৯= টাকা
  • দশ আনা সোনার দাম—৭৩,১২১= টাকা
  • এগার আনা সোনার দাম—৮০,৪৩৪= টাকা
  • বারো আনা সোনার দাম—৮৭,৭৭৪= টাকা
  • তেরো আনা সোনার দাম—৯৫,০৫৮= টাকা
  • চৌদ্দ আনা সোনার দাম—১,০২,৩৭০= টাকা
  • পনের আনা সোনার দাম–১,০৯,৬৮২=টাকা
  • ষোল আনা সোনার দাম—১,১৬,৯৫=টাকা

মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায় জেনে নিন

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা। নিশ্চয় আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালোই আছেন। আজ আমরা এই আরর্টিকেলে মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এলার্জি থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের আরর্টিকেল টি ভালো করে শুর থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো। মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায়, এলার্জির ঔষধ এলার্জি, কি খাবার খেলে এলার্জি বেশি হয় সে সব বিষয়ে জানতে হলে মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
মুখের-স্কিন-এলার্জি-থেকে-মুক্তির-উপায়
মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায়। এখন প্রায় সকল মানুষেরাই এলার্জির সমস্যায় ভুগছেন। এলার্জি সমস্যা হলে শরীর খুব চুলকায়। এলার্জি শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে হতে পারে যেমন, মুখে, কারো চোখের ভিতরে, কারো মাথায়, কারো আবার পিঠে, কারো বুকে , কারো গলায়। এলার্জি চুলকানি খুব যন্ত্রনা দায়ক। এলার্জির চুলকানি থেকে সবাই মুক্তি পেতে চায়। আজ আমরা মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে এই আরর্টিকেলে আলোচনা করবো।
পেজ সূচিপত্রঃ মুখের স্কিন এলার্জি থেকে মুক্তির উপায়?
ভৃমিকা

সিডিল ২০ ১০ টি খেলে কি হবে – সেডিল কিসের ওষুধ

সিডিল ২০ ১০ টি খেলে কি হবে এবং সেডিল কিসের ঔষধ। আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক…